হুমকি নয়, গবেষণায় সহযোগী হবে চ্যাটজিপিটি

২০২২ সালের ডিসেম্বরে চালু করা হয় চ্যাটজিপিটি। এরই মধ্যে এটিকে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টুলটিকে ঠিকমতো স্বাগত জানাচ্ছেন না শিক্ষাবিদরা। একাডেমিক পর্যায়ে জার্নাল প্রকাশের দুটি প্রখ্যাত মাধ্যম সায়েন্স অ্যান্ড স্প্রিঙ্গার নেচার নতুন সম্পাদকীয় মানদণ্ড স্থির করেছে। এর মাধ্যমে একাডেমিক গবেষণায় চ্যাটজিপিটির মতো টুলগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বা বন্ধ করা হবে। খবর টেকটাইমস।

ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের অর্থনীতিবিষয়ক গবেষক ব্রিয়ান লুসি এবং ডাবলিন ইউনিভার্সিটির মাইকেল ডাউলিং সম্প্রতি তাদের গবেষণার বিস্তারিত প্রকাশ করেছেন দ্য কনভারসেশনে। তাদের দাবি, চ্যাটজিপিটি ফাইন্যান্স পেপার লেখার কাজে ব্যবহার হতে পারে আর সেটা অ্যাকাডেমিক জার্নাল হিসেবে পাসও করতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন: হুমকি নয়, গবেষণায় সহযোগী হবে চ্যাটজিপিটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *