ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্র কি মেটাভার্সনির্ভর হবে

কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় প্রথমবারের মতো বিভিন্ন কোম্পানি মেটাভার্সে অফিস স্পেস চালুর বিষয়ে ভাবছে। যদিও এ সমাধান বা পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়টি অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে কর্মীদের যে চাহিদা সেটি পূরণে মেটাভার্সের সক্ষমতা রয়েছে। ২০২২ সালে র্যান্ডস্টাডসের ওয়ার্কমনিটর গবেষণার তথ্যানুযায়ী, কর্মীদের দাবির মধ্যে আরামদায়ক কর্মপরিবেশের বিষয়টি রয়েছে, যার মধ্যে রিমোট ওয়ার্ক অন্যতম।

মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ জানান, মেটাভার্সে কাজ করা থেকে আমরা পাঁচ বছরও দূরে নেই। তার কোম্পানিটি একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে প্রত্যেকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে (ভিআর) বাস করবে, যোগাযোগ করবে এবং একসঙ্গে কাজ করবে। এ খাতের আরেকটি নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাপল। কুপারটিনোর প্রযুক্তি জায়ান্টটি অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) পছন্দ করে, যেখানে ব্যবহারকারীরা বাস্তব জগতে থাকলেও কম্পিউটার নির্মিত বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারে। ব্যবহারকারী যে সংস্করণই সাবস্ক্রাইব করুক না কেন, ২০২৪ সাল নাগাদ মেটাভার্স ৮০ হাজার কোটি ডলারের বাজারে পরিণত হবে।

বিস্তারিত পড়ুন: ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্র কি মেটাভার্সনির্ভর হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *