Social Media

ভালোবাসাময় আন্তরিক এক ফেসবুক জগতের বাসিন্দা হয়েই সবার কাছাকাছি থাকতে চাই, নয়তো নয়!!!

আমার একদম ছোট বেলার তেমন কোনো বন্ধুর সাথেই আজ আর যোগাযোগ নেই; এরপর গ্রাম ছেড়ে যখন ময়মনসিংহ স্কুল হোস্টেলে আসি তখন যে নুতুন কিছু বন্ধু পাই তাদের ও প্রায় সবাইকে হারিয়ে ফেলেছি সেই কবে.. এই বছর দুই আগে থেকে ফেসবুকের কল্যাণে অল্প কিছু স্কুল বন্ধু কে আবার পেলেও এখন আর কেউ দেখতেও ঠিক ওই রকম নেই; নেই তাদের জীবন ও!!! তারপর কলেজের যে সাত জন ছিল আমার জানি দোস্ত তারাও আমার ফেসবুক জগতে নেই...

আমার ফেসবুক জীবন: ছিলাম, আছি, থাকবো

আমি প্রফেশনাল ব্লগার নই, পুরস্কারের ইচ্ছাও আমার নেই। এই ফেসবুক কেড়ে নিয়েছে আমার কিছু সুখ। তবুও পড়ে থাকি সেই ফেসবুক নিয়েই। সেই ঘটনা শেয়ার করছি।

আমার ফেসবুক জীবন: কাউকে খুব ভাল করে না জেনে প্রতারিত হবেন না

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কোন অনুষংগই খারাপ বা অপকারী নয়, এর ব্যাবহারের উপর নির্ভর করে এর উপকারীতা বা অপকারীতা। তাই ফেসবুক এর ক্ষেত্রেও এর ব্যবহারের উপর এর ভাল মন্দ প্রভাব নির্ভর করছে। দয়া করে এখানে কেউ কাউকে খুব ভাল করে না জেনে প্রতারিত হবেন না। আপনাদের ফেসবুক জীবন শুভময় হোক।

আমার ফেসবুক জীবনঃ এ জায়ান্ট ইনফরমেশন মিডিয়া

নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা বর্ননা করাটা বিরক্তিকর তাদের জন্য ফেসবুক যাদের শীতের রাতের লেপ-কম্বল জাতীয় জিনিষ। কারন এখানে ঘটনার কোন শেষ নাই। আর একাধিক বার লেখার অনুমতি থাকলেও শততম পোষ্ট হয়তো তাদের জন্য কোনো ব্যাপারই না। তবে এখানে খুব সাধারন আর স্বাভাবিক(!) কিছু কথা বলি এই ব্যাটা ফ্যাস-বুককে নিয়ে।

আমার ফেসবুক জীবন: বন্ধুত্ব নাকি প্রেম

আমি কোন নামকরা লেখক নই; তাই আমার লেখাটা হয়তো আপনারা পড়তে চাইবেন না। তবে আমি শতভাগ নিশ্চিত আমার ফেসবুক জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে এ লেখার শেষ অবধি পড়ে ভাল না লাগলেও একেবারে খারাপ লাগবে না। লেখায় বিপ্লব আনার মতো লেখনি শক্তি সামান্যও আমার নেই। তবে ফেসবুকে আমার সাথে বন্ধুর চ্যাটিং এর অংশবিশেষ নিয়ে লেখা গল্প আপনাদের কারো কারো কাছে ব্যাতিক্রম ধারার বলে মনে হলেও হতে পারে। সেখানেই হবে আমার লেখার স্বার্থকতা।

আমার ফেসবুক জীবন: স্বস্তিকায় ক্রন্দন

স্বস্তিকায় ক্রন্দন
-লেখকঃ frantic writer

কিছু কথাঃ
একজন লেখকের কি রকমের ঝামেলা ঝক্কি পোহাতে হয় তা আমি এখন হারে হারে টের পাচ্ছি। নিচের গল্প নাহ লেখাটা আমার ফেসবুক বিষয়ক একটি বাস্তবতা কিছুটা রঙ মেখে তুলে ধরা হল। একজন ফ্যান যার নাম 'স্বস্তিকা' কিন্তু ফেসবুক আইডি 'টুনটুনি'(ছদ্দ নাম দিলাম) হঠাৎ একটা রিকোয়েস্ট করে বসল এবং আমাকে দিয়ে একটা গল্প লিখিয়ে নিল। সে এখন ব্লক লিস্ট-এ আছে। তাকে এখন সরি বলছি, শুনতে পেল কিনা জানিনা.......frantic writer

মানুষ আসলে কি চায় আর সামাজিক মিডিয়াতে কি বলে? (ইনফোগ্রাফিক)

(প্রিয় টেক) আমাদের সামাজিক মিডিয়ার জীবন এবং বাস্তব জীবন যে একে অপরের চেয়ে পৃথক এবং দুই জীবনে যে আমাদের আচরণ পৃথক হয় তা একটি জরিপের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নেটবেজ এই জরিপটি পরিচালনা করে এবং ফলাফলের একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করে।

সামাজিক নেটওয়ার্কিংয়ের ভবিষ্যত কান্ডারি

সামাজিক নেটওয়ার্কিং যে আমাদের ভবিষ্যৎ, সেটা সচেতন পাঠককে নিশ্চয়ই যুক্তিতর্ক দিয়ে বোঝাতে হবেনা। সামাজিক নেটওয়ার্কিং কে ভিত্তি করে ধীরে ধীরে আমাদের সামাজিক জীবন, সংস্কৃতি, ব্যবসা বাণিজ্য বিস্তৃত হচ্ছে। যে কোন বিষয় এখন সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের মাঝে। তাই সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট নিয়ে হচ্ছে নানাধর্মী গবেষণা। সম্প্রতি ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ফেসবুক ছবি শেয়ারিংয়ের সাইট ইনস্টাগ্রাম কিনে নেয়ায় সামাজিক নেটওয়ার্কিংয়ের সাথে মোবাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে যে একটা বিপ্লব আগামীতে ঘটতে যাচ্ছে তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আর তাই আগামী দিনের সামাজিক নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে কোন কোন সাইট প্রভাব বিস্তার করবে তার একটি ছোট্ট বিশ্লেষণ দেয়া হলো এই পোস্টে।

শুভ জন্মদিন জুকারবার্গ!

(প্রিয় টেক) আজ ১৪ মে। সামাজিক মিডিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের জন্মদিন। আর আজ ২৮ বছরে পা দিচ্ছেন জুকারবার্গ। কিন্তু বয়সের তুলনায় কাজের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে আছেন তিনি। যে বছর অ্যাপল প্রথম ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার বাজারে আনলো সে বছরই জন্মগ্রহণ করেন জুকারবার্গ, অর্থাৎ ১৯৮৪ সালে। কিন্তু তিনি এখন আর বালক নন, বিশ্বের প্রভাবশালী একজন প্রধান নির্বাহী।

ফেসবুকের "পে টু প্রমোট" টুল

(প্রিয় টেক) নতুন কিছু করতে চাইছেন, ফেসবুকের মাধ্যমে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আগ্রহী। চাইছেন জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগের সাইটটি যেন আপনার পদক্ষেপ বা স্ট্যাটাসটিকে সকলের সামনে তুলে ধরে। আপনার জন্য সুখবর, এরকম একটি পদ্ধতি শীঘ্রই ফেসবুক চালু করতে চলেছে। তবে, এর জন্য অল্প কিছু পয়সা খরচ করতে হবে আপনাকে। আর বিনিময়ে ফেসবুক আপনাকে দিচ্ছে বন্ধু, পরিবার এবং সহকর্মীদের কাছে বার্তা পাঠানোর নিশ্চয়তা। নতুন এই উদ্যোগটি পরীক্ষামূলকভাবে নিউজিল্যান্ডে চালু করা হয়েছে।

Syndicate content