Quebee

রিভিউ: কিউবি মডেম

বর্তমানে বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারি কিউবিবাংলা লায়নের ওয়াইম্যাক্সভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করেছে অজের অয়ারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিমিটেড (ABL)। প্রতিষ্ঠানটি কিউবি নামে নিজস্ব নতুন ওয়াইম্যাক্স সেবা পরিচালনা করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গুলশান, বনানী, বারিধারা, মীরপুর ও উত্তরা এলাকার আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের জন্য কিউবি সেবা সুবিধা চালু করেছিল।

Rating: 
1

বাংলালায়ন নাকি কিউবি? ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বিস্তারিত রিভিউ

বাংলাদেশের ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি বেশ কয়েক ধরেই চালু হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যে দুইটি কোম্পানী ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ইন্টারনেট সার্ভিস দিচ্ছে তা হচ্ছে বাংলালায়ন এবং কিউবি। যদিও এখন ওলো নামের আরেকটি কোম্পানীও রয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের সার্ভিস নিয়ে রিভিউ দিবো।

Rating: 
1

ওলো’র লাইসেন্স বৈধ নয়! তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রনালয়

(প্রিয় টেক) দেশের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট রাজ্যে নতুন এক সদস্য হলো ওলো (http://www.ollo.com.bd)। যদিও এরা দাবী করছে তারা ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে না, তবুও দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন এবং কিউবি’র সঙ্গেই এদের লড়াই। এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিচার করলে, এরা বাংলালায়ন এবং কিউবী'র মতো সেবা প্রদান করছে, যদিও তাদেরকে ওয়াইম্যাক্সের জন্য নির্ধারিত ২১৫ কোটি টাকার লাইসেন্স ফি দিতে হয়নি।

বিজনেস অ্যানালাইসিস: কিউবী'র মামলা এবং তারপর...

(প্রিয় টেক) নতুন করে জটিল ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লো অজিও গ্রুপের ওয়াইম্যাক্স সেবাদানকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান "কিউবী"। এমনিতেই নানাবিধ কারণে ওয়াইম্যাক্স ব্যবসা সুবিধা করতে পারছিল না; এখন তার সাথে যোগ হয়েছে মালিক পক্ষের আইনি লড়াই। এবং এর ভেতর রয়েছে কিছু অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা। আমরা সেই দিকগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

থ্রি-জি, ফোর-জি ও ওয়াইম্যাক্স নিয়ে কিছু কথা

আজ অনেকদিন হতে চলল থ্রি-জি, ফোর-জি ও এসব এর লাইসেন্স সংক্রান্ত লেখা প্রকাশিত হচ্ছে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য। খুবই মহৎ উদ্যোগ কারণ হুজুগে বাঙ্গালীর লাফালাফি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আমরা সচেতন হলে আরো অনেককে সচেতন করতে পারবো। আর তারা সচেতন করবে আরো মানুষকে। সমস্যা হলো এগুলি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান এত কম যে কিছু বলতে গেলে গোড়া থেকে শুরু করতে হয়। সবার সেই ধৈর্য বা সময় নাই। প্রিয়.কম-এ এই চেষ্টাটা দেখে অনেক ভালো লাগলো।

কেন আমরা ওয়াইম্যাক্স এ ভালো সেবা পাচ্ছি না

আমরা অনেকেই এখন ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করি। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা লাখের ঘরে পৌঁছে গেছে। দ্রুতগতির সেবা আর সীমাহীন ডাউনলোড-এর সুযোগ দিয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে ওয়াইম্যাক্স এক দুর্নিবার আকর্ষণের অপর নাম হয়ে দাড়িয়েছে। এটা ভালো হয়েছে না খারাপ হয়েছে সেই বিতর্কে যেতে চাই না কারণ প্রযুক্তি উভয় ভাবেই প্রভাব ফেলতে পারে মানুষের জীবনে। ব্যবহার এর উপরই নির্ভর করে পরিনতি।

সাধারন ব্যবহারকারীর দৃষ্টিতে - ওয়াইম্যাক্স অপারেটরদের টিকে যারার সম্ভাবনা রয়েছে

যদি ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা দেশে ৩জি/৪জি নেটওয়ার্ক আসার (স্ট্যাবলিশ হওয়ার) আগেই যদি দেশের বেশির ভাগ জেলা শহরগুলোতে কভার করে গ্রাহক সংখ্যা বাড়াতে পারে, তাহলে তারা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবে।

১. ঠিক জায়গাতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা - জেলা শহরগুলোতেই এমন কিছু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছেন যারা দ্রুত গতির ইন্টারনেটের জন্য আগ্রহী, বিশেষ করে তরুণেরা। তাহলে যারা প্রথম কভারেজ নিয়ে তাদের জেলা শহরে যাবে সেই সব ইউজাররা প্রথমে তাদেরই গ্রহণ করবেন। গ্রামীণ ফোনের কথা চিন্তা করেন। তারাই দেশে প্রথম নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে বলে তাদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রথম থেকেই বেশি।

ওয়াইম্যাক্স: বাংলালায়ন ও কিউবী'র বাস্তবতা

গতকাল প্রিয় টেকে যে কারণে বাংলালায়ন এবং কিউবী টিকে থাকবে না! শীর্ষক একটি রিপোর্ট/এনালাইসিস দেয়া হয়েছে, কেন বাংলাদেশের দু'টি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানী প্রতিযোগিতায় ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে না। সেখানে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে এবং যথেষ্ট তথ্য-প্রমানাদি দিয়ে তা ব্যাকআপ দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে। উন্নত বিশ্বে এই ধরনের এনালাইসিস প্রতিনিয়ত হয়ে থাকে, এবং এগুলোর একটা ভালো দিক রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে কোম্পানীগুলো নিজেদেরকে প্রতিনিয়ত ইভ্যালুয়েট করতে পারে। এবং সেভাবে নিজেদের স্ট্রাটিজি ঠিক করতে পারে। আপনারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, অসংখ্য মানুষ ওই লেখাটিতে মতামত দিয়েছে। একটি কোম্পানীর জন্য এগুলো খুবই মূল্যবান ডাটা। বাংলালায়ন এবং কিউবী'র উচিৎ হবে, এগুলো নিয়ে মার্কেট এনালাইসিস করা। আমাদের কারোরই কাম্য নয়, কোনও প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু এই ধরনের আলোচনার ভেতর দিয়ে আগে-ভাগেই সতর্কতা অবলম্বন করা যায়, এবং নিজেদেরকে সঠিকভাবে পরিচালিত করা যায়।

যে কারণে বাংলালায়ন এবং কিউবী টিকে থাকবে না!

(প্রিয় টেক) বাংলাদেশে অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে ২০০৮ সালের নভেম্বরে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। মোট ৩টি লাইসেন্স দেয়ার কথা থাকলেও, কার্যত ২টি প্রতিষ্ঠান (বাংলালায়ন এবং কিউবী) প্রত্যেকে ২১৫ কোটি টাকা ফি দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছিল। এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক তাদের লাইসেন্স নেয়নি। পরবর্তিতে তাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সরকারী প্রতিষ্ঠান বিটিসিএলকে একটা লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। তারা বলেছে, এই লাইসেন্স তারা আর নেবে না! এ বছর সরকার একই সাথে থ্রি-জি এবং ফোর-জি'র লাইসেন্স দেবে বলে নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। আসুন দেখা যাক, বাংলাদেশে এই দুটি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি বেঁচে থাকবে কি না!

Rating: 
0
Syndicate content