BSCCL

প্রতি মেগাবিটস/সেকেন্ড গতির ব্যান্ডউইডথের মূল্য তিন হাজার টাকা কমানোর প্রস্তাব বিটিআরসিতে

(প্রিয় টেক) ব্যান্ডউইথের মূল্য প্রতি মেগাবিটস/সেকেন্ড (এমবিপিএস) ৮ হাজার টাকা থেকে আরো তিন হাজার টাকা (৩৭ দশমিক ৫০) কমানোর প্রস্তাব এখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে। খুব তাড়াতাড়ি খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে এই সরকারের সময়ে চার বার ব্যান্ডউইথের মূল্য কমানো হল। এটি পঞ্চমবারের মতো কমানো হচ্ছে।

ব্যান্ডউইডথের মূল্য ৩৭.৫০ শতাংশ কমছে। এ সপ্তাহে সুপারিশ যাবে মন্ত্রনালয়ে

(প্রিয় টেক) ব্যান্ডউইডথের মূল্য আরো তিন হাজার টাকা (৩৭ দশমিক ৫০) কমানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথের মূল্য ৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারনের কার্যক্রম অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এর আগে এই সরকারের সময়ে চার বার ব্যান্ডউইডথের মূল্য কমানো হল। এটি পঞ্চমবারের মতো কমানো হচ্ছে।

সরকারকে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা লাভ দিচ্ছে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি

(প্রিয় টেক) ২০১১-১২ অর্থ বছরের লাভ হিসেবে সরকারকে আজ ১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লি: (বিএসসিসিএল)। এক মাস আগে বিএসসিসিএল শেয়ার হোল্ডারদের জন্যে ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেন। তার অংশ হিসেবে সরকারকে এই টাকা দেবে বিএসসিসিএল।

সাবমেরিন ক্যাবল মেরামতে ৪ দিন আইএসডি কল ও ইন্টারনেটে সমস্যা হবে

(প্রিয় টেক) সাবমেরিন কেবল মেরামতের জন্যে শুক্রবার ভোর থেকে চারদিন আন্তর্জাতিক টেলিফোন কল এবং ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তবে দেশের একমাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের মালিক বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএইসসিএল) থেকে বলা হয়েছে তারা বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছেন।

সাবমেরিন ক্যাবল মেরামত শেষ হবে বৃহস্পতিবার

(প্রিয় টেক) আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সাবমেরিন ক্যাবল মেরামতের কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ক্যাবলের বিভিন্ন স্থানে আরও রিপিটার পরিবর্তনের কারণে মেরামতে সময় বেশি লাগছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি ২ আগস্ট ক্যাবল মেরামত সম্পন্ন হওয়ার কথা বলেছিল। এদিকে মেরামত কাজ শেষ না হওয়ায় এখনো স্বাভাবিক গতি ফিরে পায়নি দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা।

২ আগস্টের পর ইন্টারনেট এর গতি স্বাভাবিক হবে

(প্রিয় টেক) কাটা পড়া সাবমেরিন ক্যাবল মেরামতের কাজ এখনো চলছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২ আগস্ট মেরামতকার্য শেষ হবে। ওই দিন থেকেই দেশে ইন্টারনেটের গতি আগের অবস্থায় ফিরবে বলে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) সূত্র জানিয়েছে। খবর বণিক বার্তা।

২০১৫ সালের জুনের আগেই ব্যান্ডউইথের পরিমাণ হবে ১৮৬০ জিবিপিএস

(প্রিয় টেক) আগামী ২০১৫ সালের জুনের মধ্যেই দেশের মোট ব্যান্ডউইথের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার জিবিপিএস হয়ে যাবে। বর্তমানে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা ৮০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ জিবিপিএস। গত ৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০১২-১৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোও উপস্থাপন করেন। মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোতেই মন্ত্রণালয়ভিত্তিক ২০১৫-১৬ অর্থ বছর পর্যন্ত নানা লক্ষ্যমাত্রা এবং দিকনির্দেশনার উল্লেখ করা হয়েছে। এখানেই টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অংশে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লি: (বিএসসিসিএল) সম্পর্কে বলতে গিয়ে ব্যান্ডউইথের এই হিসেব দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সংযোগ স্থাপনের খরচ ৩৪ মিলিয়ন ডলার!

(প্রিয় টেক) দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সংযোগ পেতে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি’কে (বিএসসিসিএল) যে খরচ করতে হবে তার দুই রকমের হিসেব করা হয়েছে। একটি হিসেবে দেখানো হয়েছে, সাবমেরিন কেবলের এক্সপ্রেস ওয়ের খরচ ছাড়াও ভারত মহাসাগর থেকে বঙ্গোপসাগর হয়ে মংলা পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের খরচ পড়বে ৩৪ মিলিয়ন ডলার। অপর হিসেব বলছে এই খরচ ৪৮ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশের কাছে ব্যান্ডউইথ চেয়ে মিয়ানমারের ডেপুটি মিনিষ্টারের চিঠি

(প্রিয় টেক) বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ পেতে চাইছে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারও। একই সঙ্গে সাবমেরিন কেবল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) সঙ্গে একটি সহযোগিতা চুক্তিও করতে চাইছে দেশটি। গত ১ মার্চ এ সংশ্লিষ্ট একটি চিঠি পাঠিয়েছে মিয়ানমারের কমিউনিকেশন্স, পোষ্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফ মন্ত্রনালয়ের ডিপুটি মিনিষ্টার টিনটি লুইন। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইডথ নেয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে ভূটান।

দ্বিতীয় সাবমেরিনের ল্যান্ডিং স্টেশন মংলায়

(প্রিয় টেক) দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা দিয়েই দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে। সরকারের দিকে থেকে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি (বিএসসিসিএল) এমনই নির্দেশনা পেয়েছে বলে প্রিয়.কম-কে জানিয়েছেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন।

Syndicate content