BanglaLion

ব্যবসায়িক ঝুঁকির মুখে বাংলালায়ন ও কিউবি

(প্রিয় টেক) প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে ব্যবসায়িকভাবে ঝুঁকিতে পড়েছে দেশের শীর্ষ ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স। একই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কিউবিরও। এরই মধ্যে বিকল্প প্রযুক্তি চালু করতে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদনও করেছে বাংলালায়ন। তবে এ আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটরের বকেয়া ৫৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ

(প্রিয় টেক) বেশ কয়েকটি প্রান্তিক হতে চলল কোনো দেনা পাওনাই পরিশোধ করে না দেশের দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন এবং কিউবি। শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্পেকট্রামের জন্যে কোনো ফি’ই পরিশোধ করেনি অপারেটর দুটি। সব মিলে নিয়ন্ত্রন কমিশন-বিটিআরসি অপারেটর দুটির কাছে ৫৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা পাবে।

বাংলালায়ন নাকি কিউবি? ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বিস্তারিত রিভিউ

বাংলাদেশের ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি বেশ কয়েক ধরেই চালু হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যে দুইটি কোম্পানী ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ইন্টারনেট সার্ভিস দিচ্ছে তা হচ্ছে বাংলালায়ন এবং কিউবি। যদিও এখন ওলো নামের আরেকটি কোম্পানীও রয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের সার্ভিস নিয়ে রিভিউ দিবো।

Rating: 
1

ওলো’র লাইসেন্স বৈধ নয়! তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রনালয়

(প্রিয় টেক) দেশের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট রাজ্যে নতুন এক সদস্য হলো ওলো (http://www.ollo.com.bd)। যদিও এরা দাবী করছে তারা ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে না, তবুও দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন এবং কিউবি’র সঙ্গেই এদের লড়াই। এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিচার করলে, এরা বাংলালায়ন এবং কিউবী'র মতো সেবা প্রদান করছে, যদিও তাদেরকে ওয়াইম্যাক্সের জন্য নির্ধারিত ২১৫ কোটি টাকার লাইসেন্স ফি দিতে হয়নি।

অনলাইন রিচার্জ বন্ধ, সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন ৩০ হাজার গ্রাহক

(প্রিয় টেক) বিভিন্ন অনলাইন সাইটের মাধ্যমে মোবাইলফোন ও ওয়াইম্যাক্স গ্রাহকদের অনলাইনে রিচার্জ বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। অনুমোদন না থাকায় ২ সেপ্টেম্বর সেবাটি বন্ধ করে দেয় কমিশন।

বাংলালায়ন ও এস এস এল ওয়্যারলেস চুক্তিবদ্ধ

(প্রিয় টেক) ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রিপেইড এবং পোস্ট পেইড কার্ড এর সেবা প্রদান করতে বাংলালায়ন দেশের অন্যতম ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, এস এস এল ওয়্যারলেসের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

থ্রি-জি, ফোর-জি ও ওয়াইম্যাক্স নিয়ে কিছু কথা

আজ অনেকদিন হতে চলল থ্রি-জি, ফোর-জি ও এসব এর লাইসেন্স সংক্রান্ত লেখা প্রকাশিত হচ্ছে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য। খুবই মহৎ উদ্যোগ কারণ হুজুগে বাঙ্গালীর লাফালাফি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আমরা সচেতন হলে আরো অনেককে সচেতন করতে পারবো। আর তারা সচেতন করবে আরো মানুষকে। সমস্যা হলো এগুলি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান এত কম যে কিছু বলতে গেলে গোড়া থেকে শুরু করতে হয়। সবার সেই ধৈর্য বা সময় নাই। প্রিয়.কম-এ এই চেষ্টাটা দেখে অনেক ভালো লাগলো।

কেন আমরা ওয়াইম্যাক্স এ ভালো সেবা পাচ্ছি না

আমরা অনেকেই এখন ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করি। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা লাখের ঘরে পৌঁছে গেছে। দ্রুতগতির সেবা আর সীমাহীন ডাউনলোড-এর সুযোগ দিয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে ওয়াইম্যাক্স এক দুর্নিবার আকর্ষণের অপর নাম হয়ে দাড়িয়েছে। এটা ভালো হয়েছে না খারাপ হয়েছে সেই বিতর্কে যেতে চাই না কারণ প্রযুক্তি উভয় ভাবেই প্রভাব ফেলতে পারে মানুষের জীবনে। ব্যবহার এর উপরই নির্ভর করে পরিনতি।

খুব শীঘ্রই ভেল্যু অ্যাডেড সার্ভিস নিয়ে আসছে বাংলালায়ন!

ভয়েস এবং ডেটা দুই ধরনের লাইসেন্সই রয়েছে বাংলালায়নের। তাই এ দুটি খাত ধরেই চলবে এর অগ্রযাত্রা। বাংলালায়ন আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ফোন এবং আইপিটিভিতেও আসবে জানিয়ে এর কর্ণধার আবদুল মান্নান বলেন, প্রযুক্তিগতভাবে আমরা জিএসমের চাইতে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী। যারা জিএসম প্রযুক্তিতে ভয়েস মার্কেটে আছে, তারা আগামী দুই-তিন বছর পর প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে না। সাশ্রয়ী ও উন্নত সেবার কারণে ভবিষ্যতে মানুষ আইপি ফোন ব্যবহার করবে। আমাদের অনেক ভেল্যু অ্যাডেড সার্ভিস (ভাস) আছে, যেগুলো আস্তে আস্তে বাজারে আসবে।

সাধারন ব্যবহারকারীর দৃষ্টিতে - ওয়াইম্যাক্স অপারেটরদের টিকে যারার সম্ভাবনা রয়েছে

যদি ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা দেশে ৩জি/৪জি নেটওয়ার্ক আসার (স্ট্যাবলিশ হওয়ার) আগেই যদি দেশের বেশির ভাগ জেলা শহরগুলোতে কভার করে গ্রাহক সংখ্যা বাড়াতে পারে, তাহলে তারা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবে।

১. ঠিক জায়গাতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা - জেলা শহরগুলোতেই এমন কিছু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছেন যারা দ্রুত গতির ইন্টারনেটের জন্য আগ্রহী, বিশেষ করে তরুণেরা। তাহলে যারা প্রথম কভারেজ নিয়ে তাদের জেলা শহরে যাবে সেই সব ইউজাররা প্রথমে তাদেরই গ্রহণ করবেন। গ্রামীণ ফোনের কথা চিন্তা করেন। তারাই দেশে প্রথম নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে বলে তাদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রথম থেকেই বেশি।

Syndicate content