ফেসবুকে অভিনব শাস্তি

(প্রিয় টেক) যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের অধিবাসী ডেনিস অ্যাবোটের ১৩ বছর বয়সী কন্যা আভা। বয়স ১৩ হলে হবে কি, এরই মধ্যে ফেসবুকে সে তীক্ষ্ণ বাক্য এবং নাটক করা শিখে ফেলেছে। কোনভাবেই তার এই দুরন্তপনা থামাতে না পেরে এই অপরাধের অভিনব শাস্তি দেবার উদ্যোগ নেন তার মা।

অ্যাবট তার মেয়ের প্রোফাইল ছবিটির মুখের উপর লাল রঙের 'X' চিহ্ন বসিয়ে দেন। আর ছবির সাথে লিখে দেন, "আমি কিভাবে ......... বন্ধ রাখতে হয় তা জানিনা, এখন থেকে ফেসবুক এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার আমার জন্য নিষিদ্ধ। দয়া করে আমাকে জিজ্ঞাসা করুন কেন, আমার মা বলেছে যারা জিজ্ঞাসা করবে আমাকে তাদের সবার কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে"।
অ্যাবট মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগের এই প্রজন্মের জন্য এটাই সঠিক শাস্তি। সংবাদ সংস্থা এনবিসির সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "যখন আপনি সবকিছু ফেসবুকে দিবেন, প্রতিটি কর্মের যে একটি পরিণাম রয়েছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে।"

অভিনব এই শাস্তিকে সকলে "ফেসবুক প্যারেন্টিং"-এর দ্বিতীয় বৃহৎ ঘটনা বলে উল্লেখ করছেন। এর পূর্বে নর্থ ক্যারোলিনার টমি জর্ডান নামক এক পিতা ফেসবুকে মাতা-পিতা সম্পর্কে অসম্মানজনক কথা লেখার জন্য মেয়ের ল্যাপটপ গুলি করে উড়িয়ে দেন। এবং ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশ করলে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পায়। জর্ডানের এই পদক্ষেপকে অনেকেই প্রশংসা করে বলেছে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদেরকে সঠিক পথে নিয়ে যাবার এটাই সঠিক পদ্ধতি। আবার কেউ কেউ ব্যাপারটাকে শিশু নিগ্রহ বলে অভিহিত করেছে। তবে এগুলোকে বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা বলে মানতে রাজি নয় অ্যাবট। তিনি বলেন, "সময়ের সাথে সাথে সন্তান লালন-পালনের নিয়মেরও পরিবর্তন আসে।"
তথ্যসূত্র: ম্যাশেবল












