আপনার আইএসপি কি আপনার উপর নজর রাখছে?

(প্রিয় টেক) আপনি যেসকল সাইট ভ্রমণ করছেন তার একটা ট্র্যাক রেকর্ড সাধারণত আপনার আইএসপি অর্থাৎ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের নিকট থাকে। এই তথ্যের মাধ্যমে আইএসপি অথবা যে কেউ আপনার উপর নজর রাখতে সক্ষম। যা বেশ দুশ্চিন্তার বিষয়। ধরুন, আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড নয় এমন কোন তথ্য পাঠালেন। এই তথ্য ইচ্ছা করলেই আপনার আইএসপিগুলো দেখতে পারবে।

ইলেকট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশনের স্টাফ টেকনোলজিস্ট ড্যান অরব্যাখ এর মতে, আইএসপিগুলো মেটাডাটা যেমন আইপি অ্যাড্রেস, পোর্ট নং ইত্যাদি সংগ্রহ করে। এই তথ্যগুলোকে কাজে লাগিয়ে কোন কোন অ্যাড্রেস থেকে আপনার সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে তা সহজেই নির্ণয় করা যায়। শুধু তাই নয়, এই মেটাডাটা কাজে লাগিয়ে নির্ণয় করতে পারে ব্যবহারকারীরা কোন ওয়েব সাইটে ভিজিট করেছে, কোন মেইল সেন্ড করেছেন ইত্যাদি তথ্য। তবে কোন অ্যাড্রেস থেকে আপনি মেইল করেছেন তা ট্র্যাক করতে পারলেও মেইলের কনটেন্ট দেখতে পারবে না তারা।
তাহলে কনটেন্টের কি হল? যদি তারা চায় তবে এটিও সনাক্ত করা সম্ভব যে আপনি মেইলে কি কি লিখেছেন । তবে মেইলের কনটেন্ট দেখতে হলে যে কোন অভিজ্ঞ হ্যাকারকেও অনেক কষ্ট করতে হবে । এবং সবশেষে এর খুব কম অংশই দেখা সম্ভব, কারন এর আইনগত সিমাবদ্ধতা আছে । যেমন ধরুন,আমেরিকায় আই.এস.পি আপনার মেইলের কনটেন্ট শুধুমাত্র সরকারের সাথে শেয়ার করতে পারবে তবে মেটা ডাটা শেয়ার করার ব্যাপারে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন আই.এস.পি এই মেটা ডাটা দিয়ে কি করে এই বিষয়ে যথেষ্ট অস্বচ্ছতা রয়েছে। আপনার এই মেটাডাটা আপনার আই এস পির কাছে ছয় মাস থেকে দুই বছর সময় পর্যন্ত থাকতে পারে ।
তাহলে এবার আসছে আপনি কিভাবে আপনার ডাটাকে নিরাপদ রাখতে পারেন?
প্রথমে এমন কোন টেকনোলজি ব্যবহার করুন যা আপনার ডাটাকে এনক্রিপটেড করতে সাহায্য করবে। যদি আপনার গোপনীয়তা দরকার হয় তবে সিকিউর সকেট লেয়ার(এস এস এল) ব্যবহার করুন। এতে আপনার ওয়েবপেজ গুলো সিকিউর এইস.টি.টি.পি সংযুক্তিতে যোগাযোগ করবে, সেক্ষেত্রে আপনার ব্যবহৃত ওয়েবপেজ গুলো https ব্যবহার করবে। অথবা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক(ভিপিএন) ব্যবহার করতে পারেন।
তবে আপনি যদি আপনার ডেটা সিকিউরিটির ব্যাপারে বেশী চিন্তিত হন তবে আপনি TOR ব্যবহার করতে পারেন । এটি একটি প্রোগ্রাম যা আপনার ভিজিট করা ওয়েবসাইটকে ট্র্যাক করা আর জটিল করে দেবে।













