মোবাইল ফোনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে সাইবার অপরাধ

(প্রিয় টেক) মোবাইল নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থা লুকআউট কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী মোবাইল ফোনকে লক্ষ্য করে যে সকল সাইবার অপরাধী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতো তারা এখন এর সাথে অর্থ চুরির প্রচেষ্টা যুক্ত করেছে।
গত নয় মাসে নগদ অর্থ চুরি করতে সক্ষম এমন ভাইরাসের মোবাইল সংস্করণের পরিমাণ ২৯% থেকে ৬২% উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এই ক্ষেত্রকে হ্যাকাররা এখন শিল্প হিসেবে গ্রহণ করায় এই বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছে লুকআউট।

বুবিট্র্যাপ অ্যাপ, বিজ্ঞাপন এবং ম্যালওয়্যার যুক্ত ওয়েবপেজের মাধ্যমে এই ভাইরাসগুলো মোবাইলে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছে লুকআউট।
লুকআউট এর প্রযুক্তি প্রধান কেভিন মাহফি জানিয়েছেন ভাইরাসগুলো গোপনে ব্যবহারকারীর বিল বৃদ্ধি করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছে অপরাধীরা। প্রতিষ্ঠান মতে গত কয়েক মাস যাবত হ্যাকাররা কিভাবে টাকা আয় করা যায় সে নিয়ে নানাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালেও এখন এই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে এবং নেটওয়ার্ক কেন্দ্র করে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে।
"বারবার আক্রমণ করা যায় এমন বৃহদাকারে অর্থ উপার্জনের উপায় খুঁজে পাবার সাথে সাথে তারা আক্রমণ হানবে।" বলে উল্লেখ করেন মাহফি।
এই আক্রমণ অঞ্চল ভিত্তিক হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি রাশিয়ার মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্মার্টফোন ভিত্তিক অ্যান্টিভাইরাস ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া চীন এবং ভারতের মোবাইল ব্যবহারকারীদের একটা বড় অংশ মোবাইল ভিত্তিক ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত।
তবে এই ম্যালওয়্যারগুলো নির্মাণের পেছনে স্বল্প সংখ্যক হ্যাকার কাজ করছে বলে মনে করে লুকআউট। সংস্থাটি জানিয়েছে এই ধরণের ভাইরাসগুলো ক্রাইমওয়্যারকিট আকারে হ্যাকাররা চোরদের কাছে বিক্রি করে থাকে।
মাহফি আরো জানান, সংস্থাটি এখন এমন ধরণের আক্রমণ লক্ষ্য করছেন যার লক্ষ্য অর্থ চুরি নয়। এর বদলে "নটকম্প্যাটিবল" নামক একটি ভাইরাস লোড হচ্ছে যার প্রধান কাজ অবৈধ কার্যক্রম লুকিয়ে রাখা। এই ভাইরাসটি মোবাইল ফোনকে জালিয়াতি কার্যক্রমের প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করে। এই ভাইরাস আক্রান্ত মোবাইলকে তথ্য বাইপাসের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আসল অপরাধীরা নিজেদেরকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হবে।













