গ্রামীণফোনের থ্রিজি পাইলট প্রকল্পে বিটিআরসির 'না'

priyodesk's picture

(প্রিয় টেক) শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) সেবা চালুর পাইলট প্রকল্প করার উদ্যোগে অনুমতি দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। পরীক্ষামূলক ভাবে থ্রিজির তরঙ্গ বরাদ্দের এ সংক্রান্ত গ্রামীণফোনের আবেদন আমলে নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির কর্মকর্তারা। গত জুনে পরীক্ষামূলক থ্রিজির জন্য তরঙ্গ চায় গ্রামীণফোন। বিটিআরসি বলেছে, কোনো অপারেটরকে পরীক্ষামূলক ভাবে তরঙ্গ দেওয়ার পক্ষপাতী নন তারা।

লাইসেন্স দেয়ার আগে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক থ্রিজির জন্য ২১শ' ব্যান্ডে স্পেকট্রাম নিয়েছে। বিটিআরসির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, টেলিটককে এভাবে তরঙ্গ দিতে চাইছিলেন না তারা। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তেই তরঙ্গ দেয়া হয়েছে। সরকারি কোম্পানি হিসেবে টেলিটক যে সুবিধা পাবে অন্যরাও সেটা পাবে, এমন চিন্তা ঠিক নয়।

গত ২৬ জুন বিটিআরসির ১৩৬তম কমিশন বৈঠকে গ্রামীণফোনের থ্রিজি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। গ্রামীণফোনের আবেদনে বলা হয়, গ্রামীণফোনের মূল কার্যালয় জিপি হাউস, বিটিআরসি এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে 'টেস্ট বেড' নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায় তারা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থ্রিজির কারিগরি বিষয়াদি এবং এ সংক্রান্ত সম্ভাব্য সমস্যা সম্পর্কে ধারণা পেতে চায় তারা। এ কারণে তিন মাসের জন্য ২১শ' ব্যান্ডে পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং সে সঙ্গে আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি আমদানির সুযোগ চায় তারা।

তবে বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু সামনে থ্রিজির লাইসেন্স দেওয়া হবে। গ্রামীণফোন হয়তো আগে থেকে প্রস্তুতি নিতেই এমন প্রস্তাব করেছে। তা ছাড়া এর মাধ্যমে থ্রিজির লাইসেন্স পাওয়ার নিশ্চয়তাও খুঁজতে পারে তারা।

সৌজন্যে: সমকাল