দেশের বাজারে স্যামসাং নিয়ে এলো গ্যালাক্সি নোট টু

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হল স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট টু। গ্যালাক্সি নোটের সর্বশেষ সংস্করণ গতকাল এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের বাজারে এনেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। গ্যালাক্সি নোট টু বাজারে আনার ঘোষণা দেয় স্যামসাং ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সি এস মুন।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, গ্যালাক্সি নোট টু দিয়ে ব্যবহারকারীরা নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারবেন।

ডিভাইসটিতে ওএস হিসেবে থাকছে অ্যানড্রয়েড ৪.১। প্রথম ২০০ গ্যালাক্সি নোট টু ক্রেতারা টেলিটকের আকর্ষণীয় থ্রিজি প্যাকেজ পাবেন বলেন জানান তিনি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রান্সকম মোবাইল লিমিটেডের সিওও আশরাদ হক, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ অফিসের হেড অফ মোবাইল হাসান, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস এর জিএম এস এইচ সং’সহ স্যামসাং এর পরিবেশকরা ।

নিখুঁতভাবে দেখার অভিজ্ঞতা : ফোনটির ৫.৫” এইচডি সুপার অ্যামোলেড পর্দার সাহায্যে ব্যবহারকারীদের দেখার অভিজ্ঞতা হবে জীবন্ত ও পরিষ্কার। এখন ব্যবহারকারী আরো নিখুঁতভাবে সবকিছু একসাথে দেখতে পারবেন।

ওয়ান ভিউ তে সহজেই কাজ : ব্যবহারকারীরা এখন একটি স্ক্রিনে একসাথে অনেক কিছু করতে পারবেন। ‘এয়ার ভিউ’ এর সাহায্যে নতুন স্ক্রিন না খুলেই প্রিভিউ দেখেই বুঝে নিতে পারবেন ভেতরে কি কনটেন্ট আছে। পপ আপ নোট এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য পপআপ ভিডিও এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা একটি স্ক্রিনে একাধিক কাজ করতে পারবেন।


এক্সপ্রেশন টুল :
এখন ব্যবহারকারীরা এস-পেন এর মাধ্যমে আরো দ্রুত অনেক কিছু করতে পারবেন। আরামদায়ক এস-পেনটির সাহায্যে আরো নিখুঁতভাবে কাজ করা সম্ভব হবে। এর বাটনটিও সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে। এমনকি এটি পেন হারানোর সম্ভাব্যতার ব্যাপারে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে দেয়। ‘ইজি ক্লিপ’ এর সাহায্যে স্ক্রিন এর যেকোনো জিনিস সহজে কাট ও পেস্ট করা যাবে। আর ‘কুইক কমান্ড’ এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা যা করতে চায় তা লিখলেই যথেষ্ট হবে। আর সৃজনশীলতা ও সৃষ্টিশীলতা যেন এখন আরো সহজ। যা আঁকতে চান তা লিখলেই ‘আইডিয়া স্কেচ’ তা এঁকে দিবে। ‘ফটো নোট’ এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা তাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ধরে রাখতে পারবেন তাদের নিজস্ব সৃজনশীল উপায়ে। এখন ব্যবহারকারীরা ছবির পেছনেই লিখে রাখতে পারবেন ছবির স্মৃতি।

আরো সুবিধা: এলইডি ফ্ল্যাশ সহ উন্নত ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সামনে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ব্যবহারকারীদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্রয়োজনীয়তা মেটাতে উন্নত এসএনএস, ফ্লিপবোর্ড এবং এস সাজেস্ট- সবগুলো একত্রিত হয়ে নিশ্চিত করেছে একটি উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা।

১.৬ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রসেসরের এই শক্তিশালী ফোনটিতে রয়েছে আরো কিছু অসাধারণ ফিচার যেমন- ১৬ গিগাবাইট বিল্ট ইন মেমোরি (৬৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বর্ধনশীল), বিটি ৪.০ ব্লুটুথ, ওয়াই ফাই, ভয়েস মেমো এবং দীর্ঘস্থায়ী ৩১০০ এমএএইচ ব্যাটারি। টাইটানিয়াম গ্রে ও মার্বেল হোয়াইট রঙে প্রাপ্য এই ফোনটির বাংলাদেশে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা।

স্যামসাং ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ অফিসের মোবাইল বিভাগের প্রধান হাসান মেহদী গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে একটি ওডিও-ভিডিও উপস্থাপনার মাধ্যমে ফোনটির আকর্ষণীয় দিকগুলো তুলে ধরেন। স্যামসাং ইলেকট্রনিকস এর জিএম এস এইচ সং, স্যামসাং এর পরিবেশক ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

এই অসাধারণ ডিভাইসে রয়েছে আরো চমৎকার দেখার অভিজ্ঞতা, উন্নত এস-পেন কার্যকারিতা এবং একসাথে একাধিক কাজ করার ক্ষমতা।