শুরু হলো গ্রামীণফোন ইন্টারনেট উৎসব

(প্রিয় টেক) সারা দেশ জুড়ে শুরু হলো গ্রামীণফোন ইন্টারনেট উৎসব। ‘এসো পৃথিবীর পাঠশালায়’ স্লোগান সামনে রেখে গত ৫ সেপ্টেম্বর বুধবার শুরু হয়েছে ইন্টারনেট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ উৎসব। পাইলট অনুষ্ঠান হিসেবে রাজধানীর অদূরে সাভারে আয়োজিত এই উৎসব ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আড়াই শ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সকাল থেকেই দিন শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি । বৃষ্টির বাধা দুর করে সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এই আয়োজন পরিণত হয় শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়। সকাল ১০টায় শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে হয় উদ্বোধন। শক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাহেলা খানম। উৎসবের । প্রথম আলো বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান রওশনের উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য দেন গ্রামীণফোনের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশন সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক, প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ ও গতবারের উৎসবের আই-জিনিয়াস ফরহাদ হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশন সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক বলেন, ইন্টারনেট আমাদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ভান্ডার এই ইন্টারনেট ব্যবহার করে তোমরা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।
প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোনো তথ্য ঘরে বসে হাতের মুঠোয় পাওয়া সম্ভব। তিনি আরো বলেন, তাই সবার মাঝে ইন্টারনেটের আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই একসময় বাংলাদেশ ও পৃথিবীকে এগিয়ে নেবে। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড অ্যাকটিভেশন অরূপ কুমার ঘোষ, গ্রামীণফোনের কর্মকর্তা মুনতাসির হোসেন ও খায়রুল বাশার।
উৎসবে সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়সহ বিপিএটিসি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রেডিও কলোনি স্কুল, অ্যাঞ্জেলিকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সাভার অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়, সাভার ল্যাবরেটরি স্কুল, অ্যাসেড স্কুল, স্কুলেক্স, দি বেস্ট স্কুল ও শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ২৫০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে আই-জিনিয়াস প্রতিযোগিতার জন্য বাছাই করা হয় ৫০ জনকে। আই-জিনিয়াস নির্বাচিত হয় বিপিএটিসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী এনাম হোসেন।

আয়োজনে আরও ছিল হ্যাপিনেস মেশিন, ম্যাজিক মিরর, ফটো জোনসহ চমৎকার সব ইভেন্ট। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে এসব ইভেন্টে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারছিল না উৎসবে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন আয়োজন অংশগ্রহন করে মুখরিত করে রাখে পুরো উৎসব অঙ্গন।
উৎসব সফল করতে সাহায্য করেন সাভার বন্ধুসভার বন্ধুরা। এ বছর প্রথম আলো ও গ্রামীণফোন সারা দেশে ১২০টি স্থানে এই ইন্টারনেট উৎসবের আয়োজন করেছে। আয়োজনে সহযোগিতা করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রম ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ইন্টারনেট উৎসবে আরও সহযোগী রয়েছে নকিয়া, চ্যানেল আই, গুগল, রেডিও ফুর্তি, এবিসি রেডিও ও অপেরামিনি। গত বছর ১০১টি স্থানে এই উৎসব হয়।













