বিশ্বমানের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাই বদলে দেবে বাংলাদেশকে - শিক্ষামন্ত্রী

(প্রিয় টেক) প্রজন্মকে তৈরি করতে হলে প্রকৃত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বমানের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাই বদলে দেবে বাংলাদেশকে। এ জন্য সততা, দক্ষতা ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে হবে।

গতকাল শনিবার কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত কলেজের মাঠে ওই উৎসব হয়। এতে কলেজে ১৯৬২ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত অধ্যয়ন করা প্রাক্তন ও বর্তমান প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী আনন্দমুখর অনুষ্ঠানটি নতুন ও পুরনো শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় রূপ নেয়। বিকেলে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার মো. নাছিমুল গণির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার, জিওসি মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ ও কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল খন্দকার ফরহাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইস্পাহানী স্কুল ও কলেজ দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান। এর অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে হলে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও কুমিল্লার ঐতিহাসিক নিদর্শনকে ধারণ করতে হবে। দেশকে পরিবর্তন করে স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। সর্বোপরি আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি আয়ত্ত করে প্রয়োগের ব্যবস্থা নিতে হবে। গড়ে তুলতে হবে দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মই আমাদের অগ্রবাহিনী হিসেবে কাজ করবে। এই কাজকে সফল করতে হলে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত প্রকৃত মানুষ হতে হবে।’ অনুষ্ঠানমালায় আরও ছিল কলেজের শিক্ষার্থীদের মার্চপাস্ট ও দলীয় প্রদর্শনী। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন হায়দার আলী ও তপু। উৎসবে শিক্ষার্থীদের নজরকাড়া প্রদর্শনী অতিথি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করে।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি কলেজ এলাকার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহতদের কবর পরিদর্শন এবং সেনানিবাস এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ‘যাঁদের রক্তে মুক্ত স্বদেশ’ পরিদর্শন করেন। উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ওমর ফারুক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র সেন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কুণ্ডু গোপীদাস ও কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা।
সৌজন্যে: প্রথম আলো








