ইনফোগ্রাফিক: বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে চাকুরী নিশ্চিত

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) বর্তমানে দেশ এবং দেশের বাইরে পড়াশোনার খরচ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের ছাত্ররা শিক্ষার এই ক্রমবর্ধমান খরচের বিরুদ্ধে তীব্রভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। উন্নত বিশ্বের ছাত্ররা উচ্চ শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে লোন নিয়ে থাকে। যা চাকুরী জীবন শুরু হলে শোধ করা শুরু করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে চলছে চাকুরী সংকট।


স্বাস্থ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলোর চাহিদা সবসময় বেশি

মার্কিন কলেজ বোর্ড সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে গত বছরে পাবলিক কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন বর্তমানে $ ১৭ হাজার ডলার (থাকা-খাওয়া সহ) ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা ২০১০ সাল অপেক্ষা ৬% অধিক। সিএনএন সূত্রে জানা গিয়েছে ২০০৯ সালে মার্কিন জনগণ মাধ্যমিক শিক্ষার স্তর অতিক্রমের পর $৪৬১ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। যা দেশটির জিডিপির ৩.৩%, যার পরিমাণ সুইডেন, নরওয়ে এবং পর্তুগালের মত দেশের সমগ্র জিডিপির চাইতে অধিক।

আর এই যখন অবস্থা তখন শিক্ষার্থীরা যে পড়াশোনা শেষে চাকুরীর বাজার এ হামলা দিয়ে পরবে সেটাতো জানা কথা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিষয় কি চাকুরীর নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে? দেয় না, আর তাই আজকের যুগে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে চাকুরী পাবে কি পাবে না তার পুরোটাই নির্ভর করে বিষয় নির্বাচনের উপর।

কারণ একটাই, কিছু বিষয়ের চাহিদা অন্যগুলোর তুলনায় বেশি। যার ফলে আমরা দেখি মনোবিজ্ঞান বা স্থাপত্যবিদের আধিক্য এবং চাকুরী বাজারে অধিক প্রতিযোগিতা। কিন্তু প্রকৌশল অথবা ঔষধসংক্রান্ত বিজ্ঞান (ফার্মাকোলজি) যারা পড়ছে তাদের চাকুরীর অভাব নেই।

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে তথ্য, যোগাযোগ এবং প্রযুক্তি বিদদের চাহিদা বর্তমানে বিপুল। এই বিষয়গুলো ছাড়াও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে কোন বিষয় চাহিদাও বিপুল।

কোন বিষয়ের চাহিদা কেমন সে সংক্রান্ত একটি ইনফোগ্রাফিক মাইন্ডফ্ল্যাশ সম্প্রতি তৈরি করেছে। এক পলক চোখ বুলিয়ে দেখে নিতে পারেন চাকুরী বাজারে সর্বাধিক চাহিদা রয়েছে কোন বিষয়ের -