২০১৫ সালের জুনের আগেই ব্যান্ডউইথের পরিমাণ হবে ১৮৬০ জিবিপিএস

PriyoTech's picture

আগামী ২০১৫ সালের জুনের মধ্যেই দেশের মোট ব্যান্ডউইথের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার জিবিপিএস হয়ে যাবে। বর্তমানে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা ৮০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ জিবিপিএস।

গত ৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০১২-১৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোও উপস্থাপন করেন। মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোতেই মন্ত্রণালয়ভিত্তিক ২০১৫-১৬ অর্থ বছর পর্যন্ত নানা লক্ষ্যমাত্রা এবং দিকনির্দেশনার উল্লেখ করা হয়েছে। এখানেই টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অংশে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লি: (বিএসসিসিএল) সম্পর্কে বলতে গিয়ে ব্যান্ডউইথের এই হিসেব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বছর পর ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা থাকলেও ওই সময় পর দেশের ব্যান্ডউইথের ব্যবহারের পরিমাণ কতোটা হবে সে সম্পর্কে এতে কিছুই বলা নেই।

গত ডিসেম্বরে বিএসসিসিএলের তৃতীয় আপগ্রেডেশন হয়। তার ফলে সিম-উই-৪ এর ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা ৪৬ জিবিপিএস থেকে বেড়ে ১৬০ জিবিপিএস হচ্ছে। তবে আপগ্রেডেশনের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সে কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ পাচ্ছে ৮০ জিবিপিএস। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ১৬০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে।

এদিকে ইতিমধ্যে বিএসিসিএল সিম-উই-৫ কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগটি পাওয়া গেলে দেশের মোট ব্যান্ডউইথের পরিমাণ আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে।

বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে জানান, সিম-উই-৫ এর কনসোর্টিয়াম গঠনের কাজ ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে। এখন সমুদ্রের নীচে কেবল বসানো এবং সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগবে। এই কাজ হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। তিনি মনে করেন, সে সময় ব্যান্ডউইথের চাহিদাও অনেক বৃদ্ধি পাবে। ফলে আগে থেকেই এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ায় ভালো হয়েছে।

মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোয় জানানো হয়, ২০০৮ সালের জুনে কোম্পানি হওয়ার পর বিএসসিসিএল পরপর তিন বছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ, ২০ কোটি ৮০ লাখ ও ২২ কোটি ৪২ লাখ টাকা লাভ করেছে। চলতি অর্থ বছরে তাদের লাভের পরিমাণ চল্লিশ কোটি টাকা পেরিয়ে যাবে। এদিকে উদ্বৃত্ত ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করে এখান থেকেও অনেক বেশী ডলার আয় করা সম্ভব।