মার্কিন নৌবাহিনীর দূর-নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক ড্রোন

(প্রিয় টেক) মনুষ্যহীন সমরাস্ত্র এবং বাহন তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্ব এখন অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর ক্ষেত্রে অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। কিন্তু বাদ পরে গিয়েছে নৌবাহিনী। এখন পর্যন্ত গুলি ছুড়তে পারে এমন ধরণের সামুদ্রিক ড্রোন দেখা যায় নি। কিন্তু এ অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি মেরিল্যান্ড সৈকতের নিকটে দূর নিয়ন্ত্রিত মিসাইল বহনকারী জাহাজ পরীক্ষামূলক ভাবে চালানো হয়।

নৌবাহিনী একদম যে ড্রোন ব্যবহার করে নি তা নয়। কিন্তু এর বেশিরভাগই ছিল খনি পরিষ্কার এবং অন্যান্য আত্মরক্ষামূলক কাজের জন্য। ক্ষুদ্র আকৃতির বোট এর মাধ্যমে এই প্রথম তারা এর আক্রমণ ক্ষমতাকে পরীক্ষা করল।
নৌকার মত ক্ষুদ্র এই যানটি নিয়ে বেশ কয়েক বছর যাবত কাজ করে আসছে নৌবাহিনী। যানটিতে "প্রিসিশন এনগেজমেন্ট মডিউল" নামক সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। যানে এমকে-৪৯ মাউন্ট এবং একই সাথে দুইটি মিসাইল উৎক্ষেপক বসানো হয়েছে। গত কয়েক দিন মার্কিন নৌবাহিনী লং রেঞ্জে ৩০ পাউন্ড ওজনের মিসাইল সর্বোচ্চ ২.৫ মাইল দূরের বস্তুকে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে।

নৌবাহিনী এই ক্ষুদ্র যানগুলোকে সমুদ্রের তটরেখা পাহারা দেবার জন্য, অথবা জলদস্যুদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য ছোট-খাট সামুদ্রিক বিপদ থেকে রক্ষার কাজে ব্যবহার করতে পারবে বলে আশা করছে। যানটি নির্মাণে নৌবাহিনীকে 'রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেম' সাহায্য করছে।









