টাকা জাল করা প্রতিরোধে এবার আসছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির “ন্যানো কোড”

Ishtiak Khan's picture

(প্রিয় টেক) জাল টাকা প্রতিরোধ স্বচ্ছ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা উন্নত বা উন্নয়নশীল প্রায় সকল দেশের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যেও যারা সবচেয়ে বেশী সফল তাদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় হংকং এর কথা। বিভিন্ন দেশে মুদ্রা জালকারক চক্র এমন নিখুঁত ভাবে নকল মুদ্রা তৈরি করা শুরু করেছে যে অনেকক্ষেত্রে জাতীয় ব্যাঙ্ক ও আসল ও নকল মুদ্রার পার্থক্য করতে হিমশিম খাচ্ছে। বর্তমানে কিউ আর কোড নামক এক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

এই দুরবস্থা থেকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বের করে নিয়ে আসতে বিজ্ঞানীরা অনেক দিন থেকেই কাজ করে আসছিল, সম্প্রতি গবেষকদের আবিষ্কৃত “ন্যানো কোড” সবার মনে আশার সঞ্চার করেছে।

সম্প্রতি সাউথ ডাকোটা স্কুল ও মাইনস অ্যান্ড টেকনোলজির একদল গবেষক ন্যানো কোড নামক এক বিশেষ প্রকারের কিউ আর কোড উদ্ভাবন করেছে যা বিভিন্ন মুদ্রা ও দামী প্রকৃত বস্তুকে সনাক্তকরণের নিরাপত্তা দেবে।

প্রথমে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাড ডিজাইনের মাধ্যমে এই কোড তৈরি করা হবে তারপর ন্যানো পার্টিক্যাল কে বিশেষ উপায়ে নীল ও সবুজ ফ্লোরোসেন্ট কালীর সাথে মিশ্রিত করা হবে তারপর এই দ্রবণ বা কালীকে প্লাস্টিক, কাগজ, ধাতুর উপর স্প্রে করা হবে ফলে ঐ ক্যাড ডিজাইন দিয়ে তৈরি কোড প্রিন্টেড রূপে পাওয়া যাবে।

মজার কথা হল এই ন্যানো কোড সকলের কাছে খালী চোখে অদৃশ্য মনে হবে। এই কোড কে যখন কন ইনফ্রারেড লেজার দিয়ে আলোকিত করা হবে তখন এটি দেখা যাবে।

এই কোডের কার্যকারিতা ইতোমধ্যেই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, গবেষকরা ন্যানো কোড প্রিন্টেড কাগজকে প্রায় ৫০ বারের মত বিভিন্ন আকৃতিতে পেষণ করেও এর স্থায়িত্ব ও নির্ভুলতা প্রমাণিত হয়েছে। আসা করা যাচ্ছে সামনের পৃথিবীর আলট্রা স্মার্ট জালিয়াতদের প্রতিরোধ করতে এটি সহায়তা করবে।