নাসার প্রতিযোগিতায় দ্বাদশ স্থানে চন্দ্রবোট ২

(প্রিয় টেক) সম্প্রতি বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘চন্দ্র বোট-২’ এশিয়ার সেরা রোবটের স্বীকৃতি পেয়েছে। এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত নাসার তৃতীয় ‘অ্যানুয়াল লুনাবোটিকস মাইনিং কম্পিটিশন (এলএমসি)’ ওই শিক্ষার্থীদের আবিষ্কারের এ স্বীকৃতি মিলে।

মোবাইলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড চন্দ্র বোটের স্পন্সর করে। যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় কেনেডি স্পেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের এ স্বীকৃতিকে বিশেষায়িত করে তুলে ধরতে সম্প্রতি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনডোর গেমস হলে ‘চন্দ্র বোট ২’ দলকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ব্র্যাকের উপাচার্য অধ্যাপক আইনুন নিশাত, রবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (যোগাযোগ এবং গণ-সম্পর্ক) মহিউদ্দিন বাবর, মহাব্যবস্থাপক (ব্র্যান্ড এবং বাজার যোগাযোগ) গাজী ইমরান আল আমিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মহিউদ্দিন বাবর বলেন, রবি সবসময়ই তরুণদের উদ্ভাবনে উৎসাহ যুগিয়ে আসছে।

বাংলাদেশের তিনটি দলসহ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ভার্জিনিয়া টেক, ইলিনয়িস বিশ্ববিদ্যালয়, এম্ব্রি রিডল অ্যারোনটিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৫৫ টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
বাংলাদেশের তিনটি দলই সফলতার সঙ্গে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পার করে শেষ ধাপে উত্তীর্ণ হয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘চন্দ্র বোট২’ বাংলাদেশের একমাত্র দল হিসেবে ওই ধাপে মাইন শনাক্ত এবং নির্দিষ্ট স্থানে তা নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। এ দলটি জো কসমো অ্যাওয়ার্ড এক্সিলেন্স বিভাগে সর্বোৎকৃষ্ট স্থান দখল করে। যেটি চন্দ্র বোট২ দলকে বিশ্বের মধ্যে ১২ নম্বর স্থান অর্জনে সহায়তা করে। চলুন পাঠক জেনে নিই ‘চন্দ্র বোট২’ সদস্যদের কথা।

এ দলের সদস্যরা হলেন ড. মো. খলিলুর রহমান (অনুষদ উপদেষ্টা), ড. মো. মোসাদ্দেকুর রহমান (অনুষদ উপদেষ্টা), ড. মো. বেলাল হোসেন ভূঁইয়া (অনুষদ উপদেষ্টা), জুনায়েত হোসেন (দলনেতা) মাহমুদুল হাসান অয়ন, কাজী মোঃ রাজিন অনিক, সারাহ বিনতে নাসির নাবিয়া, মিরান রহমান, নাবিল সাকের রাহি, রনি আমিন খান, ফাহিম আল হাসনিন, মোহনা গাজী মীম এবং খাইরুল হাসান।
তাদের এ বিজয়কে দলটি পুরো বাংলাদেশের বিজয় বলে অভিহিত করছে। ভবিষ্যতে তারা দেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে আরও অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।টিসহ বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৫৫ টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
বাংলাদেশের তিনটি দলই সফলতার সঙ্গে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পার করে শেষ ধাপে উত্তীর্ণ হয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘চন্দ্র বোট২’ বাংলাদেশের একমাত্র দল হিসেবে ঐ ধাপে মাইন শনাক্ত এবং নির্দিষ্ট স্থানে তা নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। এ দলটি জো কসমো অ্যাওয়ার্ড এক্সিলেন্স বিভাগে সর্বোৎকৃষ্ট স্থান দখল করে। যেটি চন্দ্র বোট২ দলকে বিশ্বের মধ্যে ১২ নম্বর স্থান অর্জনে সহায়তা করে।













