চাকুর বদলে লেজার দিয়ে ফল কেটে খান

(প্রিয় টেক) প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে দৈনন্দিন ব্যবহার্য একটি যন্ত্রাংশকে স্থানান্তরিত করে আরও আধুনিক রূপের যন্ত্র। এভাবে কালের পরিক্রমায় আমরা নিত্য নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শিখেছি এবং আমরা আধুনিক থেকে আধুনিকতর হয়েছি। একসময় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বড় লোহার তৈরি ছুরি ব্যবহার করা হত, আরও আগে ব্যবহার করা হত ধারাল পাথরের ছুরি। কালের বিবর্তনে তা আর এখন আধুনিক রান্নাঘরে শোভা পায় না। এখন নানা প্রকার কাটলারি সেট ব্যবহার করা হয়। কালের বিবর্তন আমাদের শিখিয়েছে, নতুন প্রযুক্তি এই কাটলারি সেটকেও হয়তো একদিন বিদায় করে দিবে।

চলুন জানা যাক এই বিষয়ক আধুনিকতম প্রযুক্তির খবর, সম্প্রতি অ্যানড্রি কোকোরিন নামক এক তরুণ গবেষক লেজার বীমকে ব্যবহার করে বিভিন্ন আকৃতির ফল ও সবজি কাঁটার আধুনিক এক প্রযুক্তির ধারণা দিয়েছেন। তিনি চাকু-ছুড়ির মাধ্যমে যে জীবাণু সৃষ্টি হয় তা দূর করার লক্ষ্যে এই লেজার চাকুটি উদ্ভাবন করেন।
রাশিয়ার এই গ্রাজুয়েট এই ধারনার প্রবর্তনের মাধ্যমে ২০১২ এর "জেমস ডাইসন পুরস্কার" হিসাবে ১০,০০০ ব্রিটিশ পাউন্ড জিতে নেন। এই প্রতিযোগিতায় সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৫০০ প্রতিযোগী তাদের প্রযুক্তি বিষয়ক ধারণা পেশ করেন।
তার প্রস্তাবিত প্রযুক্তি আপনার রান্নাঘর থেকে চাকু ও ছুরিকে বিদায় জানাবে। তিনি এর নাম দিয়েছেন “ইনোভেটিভ লেজার ডিভাইস ফর কাটিং অফ ফুড স্টাফ ’’।
তড়িৎচুম্বকের মাঝে সারিবদ্ধ ভাবে রয়েছে একগুচ্ছ ঘূর্ণায়মান রিং। এদেরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাত্র এক মিলিমিটার পাতলা করে সবজি কাটার কাজটি দক্ষভাবে সাড়ার জন্য রয়েছে একটি মাইক্রোপ্রসেসর। টুকরার আকৃতি সবজি বা ফলের আকৃতি অথবা ছবি অনুযায়ী করা সম্ভব। ডিভাইসের পাশে থাকা একটি পর্দার মাধ্যমে সবজি অনুযায়ী অথবা কাটার ধরণ পছন্দ করতে পারবে।
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এই ডিভাইস টি স্মার্ট রান্না ঘরের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে এর আধুনিক কোন সংস্করণ হয়ত থালা বাটি পরিষ্কার সহ রান্না ঘরের টুকিটাকি সাফ সাফাইও করতেও জানবে।












