হ্যাসলব্লেড এর 'লুনার' নামক মিররলেস ক্যামেরা

(প্রিয় টেক) আপনার ক্যামেরা নির্মাতাটি যদি সেই কোম্পানিটি হয় যার ক্যামেরা প্রথম মহাশূন্য পাড়ি দিয়েছে তাহলে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যায়! আর এই আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে হ্যাসলব্লেড তৈরি করেছে লুনার মিররলেস ক্যামেরা। প্রতিষ্ঠানটি এই ক্যামেরাটিকে ১৯৫৭ এর ৫০০সি কে পুনরায় জীবন্ত করেছে বলে অভিহিত করেছে। বক্রাকার বডিটি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে উচ্চ মানের অ্যালুমিনিয়াম এবং কার্বন ফাইবার। কার্বন ফাইবার অংশটি পাবেন কালো, রূপালী অথবা টাইটানিয়াম রঙে আর কাঠের গ্রিপটি পাবেন বিচ, অলিভ, পিয়ার এবং মেহগনি রঙে।

ইমেজ প্রসেসর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বায়োনজ প্রসেসর এবং এপিএস-সি ২৪.৩ মেগাপিক্সেল সেন্সর। লুনারে প্রতি সেকেন্ডে ১০ ফ্রেম, ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং এবং আইএসও রেঞ্জটি থাকছে ১০০ থেকে ১৬ হাজার পর্যন্ত।

ক্যামেরাটি সনির নেক্স-৭ এর আদলে তৈরি করা হয়েছে এবং সনির ই-মাউন্ট লেন্স এর সাথে ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছে সনিআলফারিউমার। ক্যামেরাটি সনি এবং হ্যাসলব্লেড একত্রে তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে নেক্স-৭ যেখানে আপনি $১১০০ থেকে $১২০০ মার্কিন ডলারে পাবেন সেখানে লুনারের মূল্য প্রায় $৬,৫৩০ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ একটি লুনারের টাকা দিয়ে প্রায় ছয়টি নেক্স সেভেন ক্রয় করতে পারবেন আপনি। আগামী বছরের শুরুতে ক্যামেরাটি বাজারে পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।
বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- ডিএসএলআর এর মত পারফরমেন্স।
- ওয়ান টাচ ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধা
- ইনস্ট্যান্ট শাটার রেসপন্স (০.০২ সেক)
- অটো এইচডি, ডিআরও এবং অ্যান্টি-মোশন ব্লার মুড
- ট্রিন্যাভি নামক সিস্টেম থাকার কারণে ডিএসএলআর এর মত টিউনিং, দুইটি ফ্ল্যাশ এবং অ্যান্টি ডাস্ট সিস্টেম রয়েছে এই ক্যামেরার সাথে
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
আরো ছবি:
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
























