বিশেষায়িত টেলিকম টাওয়ার করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

(প্রিয় টেক) রাজধানীর তেঁজগাও এলাকায় টেলিকম টাওয়ার করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের ল্যান্ডফোন কোম্পানি বিটিসিএলের মাধ্যমে এই টাওয়ার নির্মানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় ১৭ তলা বিশিষ্ট একটি সুউচ্চ ভবন তৈরী করে সেখানে সকল টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বা সংস্থার অফিস করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বিটিসিএলের ৭২তম বোর্ড মিটিংয়ে এ বিষয়েক একটি ধারণাপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ নিজম্ব অর্থায়নে বিটিসিএল এই ভবন তৈরী করবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির সচিব আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, ইতিমধ্যে পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ছয়টি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে যার মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে চারটিকে বাছাই করা হয়েছে। তাদের পরামর্শ অনুসারে পরে প্রকল্প প্রস্তাবনা সাজানো হবে।

জানা গেছে, একটি জায়গা থেকে যাতে সহজে টেলিকম ট্রান্সমিশন করা যায় সে কারণে সেই পরিকল্পনা চলছিল বহুদিন থেকে। অবশেষে ১৭তলা ভবন নির্মান করে সেখানেই ট্রান্সমিশন সিস্টেম বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আসাদুজ্জামান জানান, সরকারি সব টেলিযোগাযোগ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং সংস্থা এখানে অফিস নেবেন। তাদের প্রধান অফিসগুলো এই একটি ভবনে হলে কাজেরও ক্ষেত্রেও গতি আসবে বলে মনেকরে সরকার।
সেক্ষেত্রে বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয় অবশ্যই ইস্কাটন থেকে তেঁজগাও এলাকায় চলে যাবে। একই সঙ্গে টেলিটক এবং সাবমেরিন কেবল কোম্পানির প্রধান অফিসও এখানেই হবে। তাছাড়া কেবল শিল্প কোম্পানি এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থার কারখানাগুলো যেহেতু ঢাকার বাইরে অবস্থিত সে কারণে এখানে একটি করে অফিস থাকবে।
একই সঙ্গে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর অপারেটরসহ অন্যান্য টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত কোম্পানিতে এখানে অফিস নেওয়ার জন্যে অফার দেওয়া হবে। ভবন নির্মানের কাজ শুরু হওয়ার আগেই এই অফার কোম্পানিগুলোর কাছে দেওয়া হবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান।
বিটিসিএল বোর্ডের বরাত দিয়ে আসাদুজ্জামান জানান, বড় যে কোনো শহরে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত একটি ভবন অতিজরুরী বলে মনেকরে সরকার। তাছাড়া এটি শহরের পরিচয়কেও তুলে ধরে। সে কারণে একটু খরচ সাপেক্ষ হলেও এমন একটি ভবন তৈরী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, আরো উচু ভবন করার ইচ্ছা থাকলেও পাশেই যেহেতু তেজগাঁও বিমান বন্দর সেখানে কারণে ওই এলাকায় ১৭ তলার বেশী উচু ভবন করা সম্ভব নয়। তবে এই উচ্চতায়ও ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুবিধা হবে বলে মনেকরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।













