নেটওয়ার্ক বিভ্রাটে টেলিটকের থ্রি জি। সচল হয়নি পুরনো গ্রাহকদের সিম

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) রাষ্ট্রায়াত্ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের সমস্যা যেন কাটছেই না। গত সোমবার রাতে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি জি) নেটওয়ার্ক উন্নয়নের কাজ করতে গিয়ে টেলিটকের নেটওয়ার্কে আরো বেশী সমস্যা যুক্ত হয়ে যায়। তাতে করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু-জি) অন্তত ১৫ হাজার গ্রাহক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। তাছাড়া থ্রি-জি'র নামে টেলিটক যে সেবা দিচ্ছে সেটি আসলে টু-জি’ই।


বাঁধ ভেঙ্গে দাও স্লোগান নিয়ে বাজারে নামলেও সেই বাঁধ আর ভাঙ্গা যাচ্ছে না।

এদিকে সমস্যা সমাধানে পূজার ছুটি বাতিল করে কাজ করলেও সমস্যার কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। বুধবার পুজোর ছুটির দিনেও টেলিটকের সবগুলো কাস্টমার কেয়ার সেন্টার খোলা থাকে। একইভাবে ঈদের ছুটি তিন দিনের বদলে এক দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে। এর মধ্যেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান।

বুধবার বনানী, মিরপুর ও পল্টন ঘুরে দেখা যায়, অচল সিমকার্ড সচল করার জন্য দীর্ঘ লাইন। পুরনো গ্রাহকদের ব্যবহৃত নম্বরটিই নতুন সিমকার্ডে সচল করে দেওয়া হয়। সিমকার্ড দেওয়ার সময় বলা হয়, তিন ঘন্টার মধ্যে সচল হয়ে যাবে। কিন্তু রাত নয়টা পর্যন্ত কোনো সিমই চালু হয়নি।

অন্যদিকে টেলিটকের নতুন থ্রি জি গ্রাহকরা বিরক্তির নেটওয়ার্ক বিভ্রাটে পড়ছেন। মিনিটে মিনিটে একবার টু জি, আর একবার থ্রি জি নেটওয়ার্কে পরিবর্তণের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। ডাটা ক্যারিয়ারে একবার এইচএসপিএ, আর একবার জিপিআরএস লেখা উঠছে। বিশেষত, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার সকাল ১১টা পর্যন্ত টেলিটকের থ্রি জি গ্রাহকরাও টু জি নেটওয়ার্কে ছিলেন। সকাল ১১টার পর থ্রিজি নেটওয়ার্ক চালু হলেও এর সিগন্যাল খুবই দুর্বল ছিল। এ ছাড়া দফায় দফায় থ্রি-জি থেকে টু-জি, টু-জি থেকে থ্রি-জিতে যাওয়ার বিড়ম্বনাও ছিল।

টেলিটকের মহা ব্যবস্থাপক (বিপণন) হাবিবুর রহমান জানান, পুরনো গ্রাহকদের থ্রি জি সুবিধা দেওয়ার জন্য উন্নয়ন কাজ চলায় কিছু সমস্যা হতে পারে। তবে এটা সাময়িক। দু’এক দিনের মধ্যেই সমস্যা থাকবে না।