মোবাইল অপারেটর হিসেবে বিশ্ব র্যাংকিং-এ চতুর্থ অবস্থানে এয়ারটেল

(প্রিয় টেক) ব্যবহারকারীর দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসলো ভারতের বৃহত্তর টেলিকম প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল। ওয়্যারলেস ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক টেলিকম জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বর্তমানে ভারতে পাশাপাশি আফ্রিকার ঈগল খ্যাত নাইজেরিয়ার ২১ মিলিয়ন ব্যবহারকারী নিয়ে বিশ্বব্যাপী এয়ারটেলের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৫০ মিলিয়ন। উদ্ভাবনী প্রমোশনাল প্যাকেজ এবং স্বল্প খরচে হওয়ায় তরুন প্রজন্মকে বেশি আকৃষ্ট করছে বলে জানা গেছে।
এদিকে তালিকার শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছে চাইনিজ টেলিকম প্রতিষ্ঠান চায়না মোবাইল। তাদের নেটওয়ার্ক কভারেজের সুবিধাভোগী করছেন ৬৮৩.০৮ মিলিয়ন ব্যবহারকারী। সেরা পাঁচে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো যথাক্রমে ভোডাফোন (৩৮৬.৮৮ মিলিয়ন), আমেরিকান মোভিল (২৫১.৮৩ মিলিয়ন), ভারতে এয়ারটেল (২৫০.০৪ মিলিয়ন), এবং টেলিফোনিকা (২৪৩.৫১ মিলিয়ন)।

ওয়্যারলেস ইন্টেলিজেন্সের মতে এ পরিসংখ্যানে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসেব মতে করা হয়েছে।
তালিকার সেরা পাঁচে না থাকলেও চায়না ইউনিকমের পর সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী বেড়েছে এয়ারটেলের। গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ১৩ ভাগ ব্যবহারকারী। এতে করে প্রথমবারের মতো টেলিফোনিকাকে পেছনে ফেলে সেরা পাঁচ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে।
তবে মুনাফা আয়ের দিক থেকে সেরা পাঁচের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বেশ পিছিয়ে এয়ারটেল। চলতি বছরে এ পর্যন্ত তাদের আয়ের পরিমাণ ৩.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কারণ হিসেবে ভারত এবং আফ্রিকার মতো কম স্কেলের বাজারের কথা জানালেন বিশ্লেষকরা।
ভারতের অন্য টেলিকম প্রতিষ্ঠান সেরা পাঁচে জায়গা করে না নিতে পারলেও অন্য তিন অপারেটর রিলায়েন্স [অষ্টম], আইডিয়া [ ১৪তম] এবং বিএসএনএল [২০তম] অবস্থানে রয়েছে। রিলায়েন্স গত পরিসংখ্যানের অবস্থানে থাকলেও তিন ধাপ এগিয়েছে আইডিয়া। তবে দু’ধাপ নিচে চলে গেছে বিএসএনএল।
বছর দুয়েক আগের পরিসংখ্যান বলছে ২০১০ সালের পরিসংখ্যানে এয়ারটেলের অবস্থান ছিলো সেরা পাঁচের সবার নিচে।
তথ্যমতে বাংলাদেশে গ্রামীণ ফোন নামে পরিচিত টেলিনরের অবস্থান নবম।










