ঈদের আনন্দে বাড়ি যান ই-টিকিটে

badol khan's picture

(প্রিয় টেক) রাসেল, সোহেল, রাজন ও মারুফ চার বন্ধু। চার বন্ধু পালা করে কাউন্টারে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়াবে। সৈয়দপুরে যাওয়ার ট্রেনের যাওয়ার টিকিট কাটবে তারা। তাই বিকালে পরপরই স্টেশনে হাজির রাজন। থাকবে চার ঘণ্টা। এরপর আসবে সোহেল। সেও থাকবে চার ঘণ্টা। সর্বশেষ রাসেল কাটবে টিকিট। আমি কোন গল্পের কাহিনী বর্ণনা করছি না। নামগুলো ছদ্ম হলেও এই রকম গল্প ঈদের সময় প্রতিটি মানুষের কাছে পরিচিত।

প্রযুক্তির এই যুগে গল্পের কলমটা ট্রেনওয়ালাদের কাছে না দিয়ে নিজের হাতেও রাখা যায়। গল্প লেখা যাবে নিজের মতো করে। বর্তমানে প্রযুক্তি সাহায্য নিয়ে বাড়িতে বসেই ঈদের টিকিট কাটা যাচ্ছে।

ই-টিকিট কেটে শান্তিতে থাকুন বসে। দিন তারিখ চলে আসলে শুধু একটু কষ্ট করে আসতে হবে ট্রেন স্টেশনে। ঈদ করতে বাড়িতে চলে যাবেন আনন্দে। প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশ রেলওয়েতে। এখন টিকিট কাটা যাচ্ছে অনলাইনে এবং মোবাইলে ফোনর এসএমএসের মাধ্যমে। এতে বাঁচবে সময় ও অর্থ দুটোই।

অনলাইন :
বাংলাদেশ রেলওয়ে চালু করেছে মে মাসে অনলাইনে ই-টিকিট কাটার ব্যবস্থা চালু করেছে। ই-টিকেট পেতে প্রবেশ করতে হবে এই সাইট । নিবন্ধন করতে হবে প্রথমে। প্রথমে থাকবে আপনার জন্য কিছু নিয়ম। নিয়মগুলো মেনে লগইন করতে হবে আপনাকে। প্রথমেই পাবেন ‘পারচেজ টিকিট’ (Purchase Ticket) অংশটি। ক্লিক করে প্রবেশ করতে হবে ভিতরে। তারিখ, যাত্রা স্থান, গন্তব্য, ট্রেনের নাম, আসনের শ্রেণী, টিকেটের সংখ্যা পূরণ করে ‘সার্চ’ ক্লিক করতে হবে। খালি আসন থাকা সাপেক্ষে পেয়ে যেতে পারেন ই-টিকিটটি। ভিসা কার্ড, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়েই ভাড়া পরিশোধ করা যাবে।

এসএমএস :
মোবাইল টেলিফোনেও পাওয়া যাবে ট্রেনের টিকিট। গ্রামীণফোন তাদের সিম ব্যবহারকারীদের জন্য ‘মোবিক্যাশ টিকেটিং’ নামে সেবা চালু রেখেছে। এসএমএস মাধ্যমে টিকিটের কাটতে হলে মেসেজ অপশনে গিয়ে TKET লিখে 1200 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ফিরতি এসএমএসে একটি PIN নম্বর এবং নির্দেশনা দেওয়া হবে।

*131*3# নম্বরে ডায়াল করে কিনতে পারবেন ই-টিকেট।