ভিওআইপি’র সঙ্গে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা ॥ বিটিআরসি’র কর্মকর্তাদের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

(প্রিয় টেক) ভিওআইপি’র (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি-র কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। আজ মঙ্গলবার বিটিআরসি কার্যালয় পরিদর্শন কালে সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য তিনি এসব হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহনের পর মঙ্গলবারই প্রথম বিটিআরসি কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন সাহারা খাতুন। বিটিআরসিতে এসে প্রথম দফাতেই কর্মকর্তাদের হুশিয়ার করেন তিনি। যদিও বিটিআরসি'র বেশ কিছু কর্মকর্তার নামে সরাসরি অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার রিপোর্ট পত্রপত্রিকায় বারবার আসার পরেও কোন ব্যবস্থা না নিলেও, মন্ত্রীর এই কঠোর বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন কমিশনের অনেক কর্মকর্তা।
সাহারা খাতুন বলেন, ভিওআইপির কারণে সরকার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বাস করতে চাই, বিটিআরসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এর সঙ্গে জড়িত নয়। তবে যদি কেউ জড়িত থাকে তাহলে তাকে এখনই সরে আসতে হবে। অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধ করে সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর জন্য বিটিআরসির কর্মকর্তাদের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটি রোধে বিটিআরসিকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন মন্ত্রণালয়ের যে দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে সেখানে জনগণের হয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে প্রতিদিনের বৈধ আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ গড়ে আড়াই কোটি মিনিটেরও কম। মাত্র কিছুদিন আগেও যা পাঁচ কোটি মিনিটের বেশি ছিল।
উল্লেখ্য যে, বর্তমানে বাংলাদেশ দৈনিক ৮-৯ কোটি মিনিট ইনকামিং কল আসে। অর্থ্যাৎ ৫ কোটি মিনিটের বেশি কল অবৈধ পথে চলে যাচ্ছে প্রতিদিন। প্রতি মিনিটের আন্তজার্তিক কল থেকে তিন মার্কিন সেন্ট দেশে আসে। অথচ অবৈধ ভিওআইপির জন্য প্রতিদিন সরকার কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।












Comments
অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ সচিব
অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে প্রতিদিনের বৈধ আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ গড়ে আড়াই কোটি মিনিটেরও কম। মাত্র কিছুদিন আগেও যা পাঁচ কোটি মিনিটের বেশি ছিল।
download movies