ছয় সপ্তাহের বাড়তি সময় চেয়ে মাত্র ১ সপ্তাহের মাথায় ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করলো গ্রামীণফোন

(প্রিয় টেক) কিছু কর্পোরেট গ্রাহক ছাড়া সবার জন্যেই ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়নের কাজ শেষ করল গ্রামীণফোন। বুধবার তাদের এ সংক্রান্ত কাজ শেষ হয়। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে তাদের ৯৯ শতাংশ গ্রাহকই ১০ সেকেন্ডের পালসের আওতায় আসলেন। তবে কর্পোরেটর গ্রাহকদের জন্যেও এই সুবিধা বাস্তবায়ণ করতে তাদের আরো কিছু দিন সময় লাগবে।

গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মাহমুদ হোসাইন জানান, প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্যেই ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ণ করা বেশী জরুরী ছিল। তার পুরোই সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্ট পেইডের সকল গ্রাহকও একই সুবিধা পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে খানিকটা বেশী সময় লাগয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ণ করতে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরকে নির্দেশনা দেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। তখন কেবল টেলিটক তা বাস্তবায়ন করে। পরে আরো এক সময় বৃদ্ধি করা হয়। তবে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রবি, সিটিসেল এবং এয়ারটেল সম্পূর্ণ রূপে ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করতে পারে। আর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক আংশিকভাবে তা বাস্তবায়ণ করে। সে সময় বিটিআরসি’র কাছে খানিকটা সময়ও চায় তারা।
জানা গেছে, গ্রামীণফোনের বন্ধু, আপন, ডিজুস, আমন্ত্রণ, সহজ, স্মাইলসহ অন্যান্য প্যাকেজগুলোয় দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়নের কাজ শেষ হয়েছে। যেহেতু ১৫ সেপ্টেম্বর ছিল এই নীতিমালা বাস্তবায়নের শেষ দিন, তাই গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ (শুক্রবার) রাতে আরো ৬ সপ্তাহ সময় চেয়ে বিটিআরসি'র কাছে আবেদন করেছিল। সেখানে তারা বেশ কিছু কারণ দেখিয়ে এই বাড়তি সময়ের যথার্থতা ব্যাখ্যা করেছিল। কিন্তু পুরো সপ্তাহ যেতে না যেতেই তারা ১০ সেকেন্ড পালস বাস্তবায়ন করে ফেলেছে। এতে করে এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, বিটিআরসি তাদের সিদ্ধান্তে সঠিক ছিল, এবং গ্রামীণফোন বিটিআরসি'র কাছে বাড়তি যে সময় চেয়েছিল সেটা যথার্থ ছিল না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসি'র একজন কর্মকর্তা এই বিষয়ে প্রিয়.কম-কে বলেছেন, "এখন তো আপনারা নিজের চোখেই দেখতে পেলেন যে মোবাইল অপারেটররা কতটা বিশ্বাসযোগ্য।"
এদিকে বাংলালিংকও তাদের ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়নের কাজ শেষ করে এনেছে বলে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত অনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি তারা।













