টু জি’র স্পেকট্রাম ফি’র টাকা পরিশোধে আরো দুই মাস সময় চায় সিটিসেল

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু জি) লাইসেন্স নবায়নের স্পেকট্রাম ফি’র দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্যে আরো অন্তত দুই মাস সময় চায় দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল। এ জন্যে তারা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি’র কাছে আবেদন করছে।

বিটিআরসি বলছে, সময় মতো টাকা না দিয়ে সিটিসেল আইনের ব্যতয় ঘটিয়েছে। এর জন্যে বরং তাদের জরিমানা করার সুযোগ রয়েছে। তারা বলেন, সময় বাড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

এদিকে মন্ত্রণালয় সিটিসেলের জন্যে আরো দুই মাস সময় বাড়ানোর পক্ষে। টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস এ বিষয়ে বিটিআরসি’র সুপারিশ চেয়েছেন। তিনি বিটিআরসিকে জানিয়েছেন, সিটিসেলের আবেদনের ওপর সুপারিশ করে দিলে তারা সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দিয়ে দেবেন। তবে বেঁকে বসেছে বিটিআরসি।

এসব খবর নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসির কমিশনার (লিগ্যাল) আবদুস সামাদ। তিনি বলেন, সুপারিশ করার দায়িত্ব কোনো অবস্থায় বিটিআরসি নিতে পারে না। কারণ, ইতিমধ্যে টাকা দিতে সিটিসেল বেশ দেরী করে ফেলেছে। তাছাড়া বিটিআরসি’র সুপারিশ করার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই বলেও জানান তিনি।

নবায়নকৃত লাইসেন্স পাওয়া চার অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেলের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা জমা করার তারিখ ছিল ৩০ আগস্ট। এর আগে যখন নীতিমালা চূড়ান্ত হয় তখন এই তারিখ ছিল ৩১ জুলাই। কিন্তু চার অপারেটরের আবেদনের প্রেক্ষিতে সময় এক মাস বাড়ানো হয়। ইতিমধ্যে অন্য তিন অপারেটর টাকা দিয়ে দিলেও সিটিসেল তাদের ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করেনি। এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরো সাড়ে ১৯ কোটি টাকার ভ্যাট।

এসব বিটিআরসি’র শীর্ষ একর্মকর্তা বলেন, লাইসেন্স ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে বিলম্ব করার কোনো সুযোগ নেই। দেরী করে দিয়ে তার জন্যে বিলম্ব ফি নেওয়া সেটিও যুক্তি যুক্ত নয়। এক্ষেত্রে বর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ হওয়া জরিমানা করার সুযোগ আছে।

গত ৭ আগস্ট চার অপারেটরকে টু জি লাইসেন্স দেয় বিটিআরসি। অন্য তিন অপারেটরের কাছ থেকে পাওয়া দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ইতিমধ্যে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করেছে বিটিআরসি।