লাইসেন্স নবায়নের টাকা না দেওয়ায় সিটিসেলকে শোকজ। কোষাগারে আড়াই হাজার কোটি টাকা দিল বিটিআরসি

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) গ্রামীণফোন, বাংলালিংকরবি’র কাছ থেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু জি) লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ পাওয়া দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোষাগারে জমা দিয়েছে বিটিআরসি। বৃহস্পতিবার সকালেই এই টাকা জমা করে বিটিআরসি। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশোধ না করায় সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ তারা। চিঠিতে তাদের এক মাসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

টু-জি লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ সিটিসেলের কাছে বিটিআরসি চেয়েছিল ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে আরো সাড়ে ১৯ কোটি টাকা তাদের দিতে হবে। একই সঙ্গে লাইসেন্স নবায়ন হওয়া অপর তিনটি অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গত ৩০ আগস্ট ১৫ শতাংশ ভ্যাটের টাকাসহ দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বিটিআরসিতে জমা দিয়েছে। তবে ওই সময় সিটিসেল কোন টাকা দেয়নি।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, টাকা জমা দেয়ার শেষ দিনে সিটিসেল বিটিআরসিতে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানায়, টাকা সংস্থান তারা করতে পারেননি। তাই নির্দিষ্ট সময়ে টাকা জমা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তারা সময় বাড়ানোর জন্যও আবেদন করে।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলেন, এই টাকা দেয়ার সময় বাড়ানোর আইনগত কোন সুযোগ নেই। ফলে বিটিআরসি তাদের সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর করতে পারেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জবাব চেয়ে তাদের কারন দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বলেন, বিটিআরসি টাকা আদায়ের পরই তা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোষাগারে জমা দেয়। এবারও একইভাবে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি’র কাছ থেকে টু-জি লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ পাওয়া দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা জমা দেয়া হয়েছে। আর সিটিসেলের ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা নির্দিষ্ট সময়ে টাকা না দেয়ায় তাদের শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলেও জানান তিনি।