১০ সেকেন্ড পালস কার্যকর করছে না মোবাইল ফোন অপারেটররা

(প্রিয় টেক) ১৫ আগষ্ট থেকে সব মোবাইল ফোনে ১০ সেকেন্ডের পালস কার্যকর করতে টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি নির্দেশনা দিলেও তা আমলে নিচ্ছে না মোবাইল ফোন অপারেটররা। আজ মঙ্গলবার বিকালে এ বিষয়ে বিটিআরসিতে বৈঠকও করেছে তারা। বৈঠকে বিটিআরসিকে কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছে তারা। তবে এসব আলোচনা বা বিকল্পের মধ্যে যেতে চান না বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ।

গত ২ আগষ্ট ২০১২, এ বিষয়ক একটি নির্দেশনা দিয়ে ছয় মোবাইল ফোন অপারেটরকে চিঠি পাঠায় বিটিআরসি। আজ মঙ্গলবার সকালে আরো একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতেও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ বিষয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। চিঠিতে আরো বলা হয়, গত ১৫ বছরে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত বেশ পরিপক্কতা পেয়েছে। গ্রাহক যতোটুকু কথা বলে ততটুকুর বিল দেবে সেটাই নিয়ম। কিন্তু গ্রাহকদের পাশাপাশি অপারেটরদের কথা বিবেচনা করে এতোদিন কোনো কথা বলা হয়নি। এখন আর এটি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
চিঠিতে আরো বলা হয়, এই নির্দেশনা না মানলে তা অপারেটরগুলোর লাইসেন্সের শর্ত টেলিযোগাযোগ আইন ভঙ্গ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
তবে এই চিঠি পাঠানোর পরেও বৈঠকে আসে অপারেটররা। এ সময় তারা ঈদের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চান। তারা বলেন, এক সেকেন্ড থেকে শুরু করে দশ সেকেন্ড বা ত্রিশ সেকেন্ডের পালসের প্যাকেজও তাদের আছে। এখন বিটিআরসি’র নির্দেশনা মেনে তারা সব গ্রাহকদের জন্যে দশ সেকেন্ডের বিষয়টি উন্মুক্ত করতে চান। কিন্তু সেটি বাধ্যতামূলক করার পক্ষপাতি নন তারা। এসময় তারা বলেন, দশ সেকেন্ডের পালস চালু করলে বিল বৃদ্ধি পাবে। সেক্ষেত্রে যারা দীর্ঘ্য সময় কথা বলতে চান তাদের জন্যে সেটি ক্ষতির কারণ হবে। একইসঙ্গে প্রযুক্তিগত কিছু জটিলতাও রয়েছে। সে কারণে আরো সময় নিয়ে তারা কথা বলতে চান বলেও জানান গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন।
তবে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ বলেন, এখান থেকে পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। অপারেটররা যদি এটি কার্যকর না করে তাহলে তাদেরকে আইন অনুসারে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।















