উত্তর ক্যারোলিনায় অবস্থিত অ্যাপলের ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্রের কিছু ছবি

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) আমেরিকার উত্তর ক্যারোলিনায় অবস্থিত অ্যাপলের ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। অ্যাপলের এই ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্র আসলে যে কি সে সম্পর্কে কারো কোন ধারণা নেই বলে জানা গিয়েছে। আর প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু গোপনীয়তা প্রেমী সেহেতু এর সম্পর্কে কোন তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। আর তাই এ সম্পর্কে আরেকটু জানার উদ্দেশ্যে নিয়ে প্রযুক্তি সাইট ওয়্যার্ড একটি ১৯৪৯ পাইপার পিএ-১১ বিমান নিয়ে আলোচিত নির্মাণ ক্ষেত্রটির উপর দিয়ে উড়ে যায়।

বনের মাঝে নির্মাণকর্মীদেরকে ২০ হাজার বর্গফুটের একটি বিল্ডিংয়ের ভিত্তি তৈরি করতে লক্ষ্য করা যায়। মুল তথ্যকেন্দ্র থেকে সামান্য দূরের এই বিল্ডিংটি দেখে বায়োফুয়েল সেল প্ল্যান্ট বলে ধারণা করা হলেও পরে এটাই অ্যাপলের ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্র বলে জানিয়েছে ওয়্যার্ড। অ্যাপল প্রাথমিক পরিকল্পনায় জানায় প্রতিষ্ঠানটি তার ৪.৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি করার জন্য এই পরিবেশ বান্ধব প্রক্রিয়া ব্যবহার করবে।


অ্যাপলের ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্র, ১১ রুম বিশিষ্ট এই ফ্যাসিলিটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। রয়েছে "ম্যান ট্র্যাপ" অর্থাৎ এখানে প্রবেশ করতে হলে দুটো দরজা আপনাকে পার হতে হবে। ছবির নিচে যে পাঁচটি সাদা ইউনিট দেখছেন সেগুলো ডিজেল ব্যাকআপ জেনারেটর

গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক এবং মাইক্রোসফটের মত প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে অর্থ এবং শক্তি সঞ্চয়ের জন্য নিজেরাই কম্পিউটার ফ্যাসিলিটি ব্যবস্থা তৈরি করছে।

৫ লক্ষ বর্গফুট জায়গা বিস্তৃত এই কেন্দ্রে সারি সারি ভাবে থাকবে অ্যাপলের সার্ভার যা আইক্লাউড এর শক্তি জোগানোর কাজে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও ১০০ একর জমির উপর থাকছে সোলার ফার্ম এবং বায়ো ফুয়েল সেলের কথাতো আগেই বলা হয়েছে।


সোলার প্যানেল


এটাই বায়োফুয়েল সেল প্ল্যান্ট বলে ধারণা করা যাচ্ছে


মে মাসে তথ্যকেন্দ্রটি দেখতে এরূপ ছিল


১০০ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে সোলার ফার্ম


এই পাহাড় থেকে মাটি নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল


অ্যাপলের ট্যাকটিক্যাল তথ্যকেন্দ্র