দ্বিতীয় প্রান্তিকে এরিকসনের মুনাফা কমেছে ৬৩%

(প্রিয় টেক) বিক্রয়ের হিসেবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রাংশ নির্মাতা এরিকসন পুরনো নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে সিডিএমএ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির বিক্রয় কমে যাওয়ায় এবং চীন ও রাশিয়ায় নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশের চাহিদা কমে যাওয়ায় লাভের হার ক্রমাগত সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। আগের বছরের তুলনায় আয়ের পরিমাণ ৬৩% কমে $১৭২ মিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।
রাজস্ব কমে যাবার কারণে বিভিন্ন দেশের মোবাইল পরিচালক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিনিয়োগ কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়ার মোবাইল পরিচালকগণ নতুন অবকাঠামোর পেছনে খরচ কমিয়ে দেবার কারণে এই অবস্থা হয়েছে বলে উল্লেখ করে এরিকসন।

সিডিএমএ'র চাহিদা কমে গেলেও ফোরজি'র চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু নতুন প্রযুক্তি ফোরজি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর সিডিএমএ প্রযুক্তি বিক্রয়ের হার ৫০% কমে গিয়েছে। ফলে এরিকসনের সর্ববৃহৎ ব্যবসায়িক অংশ হিসেবে পরিচিত খাতটির রাজস্ব আদায়ের হার ১৭% কমে গিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সাথে প্রতিযোগিতা এবং নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক বাজার দখলের প্রচেষ্টার কারণে লোকসান দিয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হ্যান্স ভেস্টবার্গ বলেন, "নিশ্চয়, টেলিযোগাযোগ শিল্পখাতটি এখন কঠিন সময় পার করছে। কিন্তু ১২ মাস আগেই আমাদের লাভের হার অনেক বেশি ছিল। আর সে কারণে আমরা ইউরোপীয় বাজারে আমাদের অংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেই এবং গবেষণা এবং উন্নয়ন বাজেট বৃদ্ধি করি, যা হিতে বিপরীত হিসেবে দেখা দিয়েছে।" তবে তাদের এ সিদ্ধান্ত অদূর ভবিষ্যতে যে সুফল বয়ে আনবে সে ব্যাপারে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে এরিকসনের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী আলকাটেল-লুসেন্ট এবং চীনের জেটিইও মোবাইল অপারেটরদের কৃচ্ছ্রতার কারণে লোকসানের সম্মুখীন হতে পারে বলে শেয়ার হোল্ডারদের কাছে সতর্ক বার্তা দিয়েছে।










