কর্মীদের আন্দোলনে গ্রামীণফোন রোববার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

PriyoTech's picture

(প্রিয় টেক) ছাটাইকৃত কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল পরিচালক গ্রামীণফোন-এর সদর দপ্তর। গ্রামীণফোনের কল সেন্টারে কর্মরত ছিলেন এমন কিছু কর্মীকে এক বছরের বেতন এবং সুবিধা প্রদান করার পর চাকরী থেকে ছাটাই করা কিছু কর্মকর্তা আজ সকাল প্রতিষ্ঠানটির সামনে আন্দোলন শুরু করে। এসময় প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীরা তাদেরকে শান্ত করতে চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা তা শুনতে না চাইলে প্রতিষ্ঠানটি আজকের মত দপ্তর বন্ধ করে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা কাজী মনিরুল কবির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্মীদের কার্যালয়ে নয়, যার যার বাড়িতে থেকে অফিস করতে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ফ্রিটজফ রাফটেন ই-মেইল অ্যাড্রেস থেকে সকল কর্মীর কাছে পাঠানো একটি মেইলের মাধ্যমে কার্যালয় বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণের প্রায় সকল কর্মীর কাছেই ল্যাপটপ রয়েছে। তারা বাসা থেকে কাজ করতে পারবেন বলেই তাদের বাসায় গিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।

দেশের বৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনে চলমান কর্মী ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া কর্মীদের অফিসে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় বাইরে বিক্ষোভ করছেন তারা। রোববার সকালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

গত ৪ জুলাই সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারাস্থ গ্রামীণফোন প্রধান কার্যালয়েই সভার মধ্য দিয়ে গ্রামীণফোন কর্মীদের ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। চলমান ছাঁটাইকে অনৈতিক আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা বন্ধ করাসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে একটি লিফলেটও প্রকাশ করেছে। শুধু তাই নয়, কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়ার মতো বেআইনি কার্যক্রমের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে আরেকটি সূত্রে জানা গেছে যে, গ্রামীনফোন তার ছাটাইকৃত প্রতিটি কর্মীদেরকে এক বছরের ভাতা প্রদানসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়া হয়েছে। এবং একটি বিশেষ মহল এটাকে ইস্যু বানিয়ে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। তারা গ্রামীনফোনকে ধ্বংসের পায়তারা করছেন বলে জানা গেছে।