Submitted by PriyoTech on Fri, 04/05/2012 - 8:18pm
(প্রিয় টেক) টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) উৎপাদিত সবচেয়ে ক্ষমতা সম্পন্ন অ্যাডভান্স মডেলের ১,৭৯৯টি দোয়েল ল্যাপটপ নিচ্ছে সেনাবাহিনী। গতকাল বৃহস্পতিবার এই চাহিদার ২৫০টি ল্যাপটপ টেশিস কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীতে পাঠিয়েছে। আগামী সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে বাকি ১,৫৪৯টি ল্যাপটপ সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন উৎপাদক টেশিস কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কোম্পানিতে সংযোজিত ল্যাপটপ ‘দোয়েল-এর গুনগতমানে সেনাবাহিনী সন্তুষ্ঠ হয়েছে বলে দাবি করেছেন টেশিসের জেনারেল ম্যানেজার (প্ল্যান্ট) আঃ মোহাম্মদ মোয়াসি। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ল্যাপটপ নেওয়ার মাধ্যমে তাদের ওপর সাধারণ গ্রাহকদের আস্থা বাড়বে।
মোয়াসির জানান, সেনাবাহিনী এখন সাড়ে ২৬ হাজার টাকা মূল্যের অ্যাডভান্স মডেলের দোয়েল ল্যাপটপ নিচ্ছে। তবে আগামী ২০ জুনের মধ্যে আরো এক হাজার ‘কোর আই থ্রি’ মডেলের ল্যাপটপ তাদেরকে সংযোজন করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো দেশে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ল্যাপটপ সংযোজনের কার্যক্রম গ্রহন করে সরকার। টঙ্গিতে টেশিসের প্রধান কার্যালয়েই এই ল্যাপটপ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।
উল্লেখ্য যে, প্রথম পর্যায়ের আনা দোয়েল ল্যাপটপের এটাই শেষ লট। এখন নতুন পার্টস আনতে শুরু করেছে টেসিস। এবং সেগুলোর মূল্য আগের তুলনায় বেশি দাম পড়েছে। পাশাপাশি ডলার মূল্য বেড়ে যাওয়ার আমদানী মূল্যের উপরও বাড়তি চাপ পড়েছে। তাই নতুন দোয়েল ল্যাপটপের মূল্য বেড়ে যাবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি এতোদিন সকল দোয়েল ল্যাপটপের উপর সরকারী ভর্তূকি ছিল। সেই ভর্তূকিও উঠে যাচ্ছে।
এবং সার্বিক অব্যবস্থাপনার কারণে বিদেশ থেকে আসা কয়েকজন প্রকৌশলী টেসিস ছেড়ে দিয়ে পুনরায় বিদেশে চলে গেছেন।
ফলে সবকিছু মিলিয়ে দোয়েল ল্যাপটপ আর আগের মতো আকর্ষনীয় নাও থাকতে পারে।
আরো পড়ুন:
Submitted by PriyoTech on Tue, 31/01/2012 - 7:56pm
(প্রিয় টেক) বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপ হিসেবে বহুল আলোচিত "দোয়েল"-এর ২১০২ মডেলের নেটবুকটির বিপণন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। ল্যাপটপটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সমর্থন না করায় বেশিরভাগ মানুষ এটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন না-এই অজুহাতে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ল্যাপটপটির বিপণন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
Submitted by zswapan on Sun, 18/09/2011 - 9:36am
নিজের একটা গল্প দিয়ে শুরু করি।
ছোট বেলায় আমাদের স্কুলে ইউনিসেফের খাতা দেয়া হতো। বাবার সরকারী চাকুরির সুবাধে বাংলাদেশের নিতান্তই মফস্বলের, এমনকি গ্রামের স্কুলে পড়ার সুযোগও হয়েছে। এই বয়সেও পরিস্কার মনে আছে, “ভেদরগঞ্জে”-র যেই স্কুলটিতে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়তাম, সেই স্কুলটি ছিল টিনের, মাটির মেঝে, জানালা খোলা। মাটির মেঝেটি থেকে চারদিকের মাটি সড়ে গিয়েছে। আমরা টিনের বেড়ার নীচ দিয়েও কাসে আসা-যাওয়া করতে পারতাম (টিকা দেয়ার দিন এটি বেশ কাজে দিত)। সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক খালি পায়ে স্কুলে আসতেন, তার পা ছিল ফাঁটা। কখনও সেই পায়ে জুতোর ছুয়া লেগেছে কি না, জানা হয়নি। (বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে যখন স্যারকে খুঁজতে গিয়েছি, ততদিনে তিনি এই গ্রহ ছেড়ে চলে গিয়েছেন।)
Submitted by mustafa.jabbar on Mon, 31/10/2011 - 4:28pm
আমরা এখন জানি যে, দোয়েল বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপ নয়, বাংলাদেশে সংযোজিত ল্যাপটপ। এর সব যন্ত্রাংশ চীন থেকে আমদানি করা এবং টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থায় এটি সংযোজিত হয়েছে। দোয়েল ল্যাপটপ সংযোজন করেছে সরকারের টিএ্যান্ডটি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ টেলিফোন শিল্প সংস্থা। এক সময়ে এটি ফিঙ্ড ফোন সেট বানাতো। তবে ফিঙ্ড ফোনের দুর্দশার সঙ্গে সঙ্গে ওদের ফোন প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ে। বিশাল অবকাঠামো নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন বা এই জাতীয় কোন ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করার প্রকল্প গ্রহণ করবে এটাই স্বাভাবিক। সেই সূত্র ধরেই ল্যাপটপ প্রকল্পের সূচনা।