চাকুরী পেতে আপনার অনলাইন প্রোফাইল ব্যবহার করুন

আমাদের জীবনটা ধীরে ধীরে ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে উঠেছে। ডিজিটাল পরিচয়টাই এখন অনেক বড় একটা পরিচয় হয়ে উঠেছে। আর তাই, নিয়োগ কর্তারাও এই পরিচয় জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছে। কেন? কারণ আপনি জীবন বৃত্তান্তে ভুল তথ্য দিতে পারেন, নিজেকে অত্যন্ত সৎ, ভদ্র এবং বিনয়ী মানুষ হিসেবে প্রকাশ করতে পারলেও অনলাইনের সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলো আপনার অনেকটা সত্য পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম। ভুলে যাওয়া ভুলও মনে করিয়ে দেয় এই সাইটগুলো। আর তাই নিজের পেশাকে যদি সামনে নিয়ে যেতে আগ্রহী হন তাহলে ডিজিটাল পরিচয়ের ব্যাপারে আরও যত্নবান হবার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞেরা। আপনার করা বার্তা, ছবি অথবা সামাজিক মাধ্যমে করা কোন শ্লেষাত্মক বাক্য একজন চাকুরী দাতা বা নিয়োগকর্তাকে করতে পারে মুগ্ধ অথবা বিরক্ত।

পেশাকে এগিয়ে নিতে চাইলে আপনাকে এই অনলাইন ব্যক্তিত্বটি সক্রিয়ভাবে আপনার স্বপক্ষে কাজে লাগাতে হবে। যার মনে আপনি ছাপ ফেলতে আগ্রহী সম্ভাব্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগ কর্মী - সে যেই হোক না কেন, যদি সে আপনার সম্পর্কে অনলাইনে অনুসন্ধান করে তাহলে সে কি খুঁজে পাবে?
গুগল অনুসন্ধান কি তার ফলাফলে আপনার ব্যবসায়িক অন্তর্দৃষ্টি, প্রযুক্তি সম্পর্কে মূল্যবান অভিজ্ঞতা, এবং সফলতার ইতিহাস তুলে ধরবে? নাকি শূন্য একটি পাতার মাধ্যমে তাদেরকে জানিয়ে দিবে আপনার ব্যর্থতা? নাকি কোন সংবাদ বা হেয় কোন মন্তব্য যা আপনার চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন সৃষ্টি করতে পারে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের উপরই কিন্তু নির্ভর করছে আপনার পছন্দের চাকুরীটি পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি।
আমাদের এই প্রতিবেদনে ১২ টি কৌশল দেয়া হল যা ব্যবহার করে নিজেকে প্রতিযোগিতাময় এই চাকুরীর বাজারে একটু এগিয়ে নিতে পারেন-
১. সঠিক পদবী ব্যবহার করুন:
ভুল পদমর্যাদা দেখিয়ে ধোঁকা দেবার চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকুন। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়োগ প্রতিষ্ঠান টালেনারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল সুপিন বলেন, “আপনি যদি খুব ছোট্ট কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হয়ে থাকেন তাহলে গালভরা এই পদবী ব্যবহার না করে পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা জ্যেষ্ঠ সফটওয়্যার ডেভেলপার পরিচয় ব্যবহার করুন। যে পদের চাকুরী আপনি খুঁজছেন ঠিক সেই পদবী ব্যবহার করুন। কোন প্রতিষ্ঠান চাইবে না সিটিও বা সি-লেভেলের একজন কর্মকর্তাকে তাদের প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদে নিয়োগ দিতে।“ কারণ, উচ্চ পদ থেকে কেউ নিম্ন পদে যোগ দিয়ে বেশি দিন কাজ করবে না বলে ধারণা করে নিবে তারা।
২. সবচেয়ে ভালো ইমেইল অ্যাড্রেসটি ব্যবহার করুন:

হাস্যকর হলেও আপনার ইমেইল ডোমেইন আপনার সম্পর্কে অনেক কথা বলে দেয়। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিতে গিয়ে মাইকেল সুপিন বলেন, “যে সকল প্রতিষ্ঠান লিনাক্স সার্ভার ব্যবহার করে তাদের পাঠানো ইমেইল অনেক সময় ইয়াহু স্প্যাম হিসেবে নির্দেশ করে। এওএল ব্যবহারকারীদেরকে বয়স্ক বলে মনে হতে পারে। হটমেইল একটু পুরানো হয়ে গিয়েছে। বাকি থাকলো জিমেইল। যা এখন সবচেয়ে সেরা।“
৩. অনলাইন প্রোফাইলে আপনার ফোন নাম্বার দিন:
ছোট্ট এই বিষয়টি আপনার চাকুরী পাবার পরিমাণ বহুগুণে বারিয়ে দেয়। ফোন হচ্ছে যোগাযোগের সবচেয়ে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম। প্রতিষ্ঠানের জন্য আপনি সঠিক কিনা সে ব্যাপারে প্রাক-নির্বাচন হিসেবে ফোনের মাধ্যমে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে চাকুরী দাতা বা নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো।
তাদের প্রতিষ্ঠানে আপনি কাজ করতে কতটা আগ্রহী তা নির্ধারণ করতে একটি ফোন কলই যথেষ্ট। ফোন নাম্বার দেয়ার ব্যাপারে আপনি যদি অনাগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে গুগল ভয়েসের মত পরিসেবা গুলোর সাহায্য নিতে পারেন।

৪.সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের হার বৃদ্ধি করুন:
লিঙ্কডইন –এ আপনার পরিধিটা যত ব্যাপক হবে আপনার চাকুরী পাবার হার তত বৃদ্ধি পাবে। এই সংযোগগুলোই পরবর্তীতে আপনাকে ভয়াবহভাবে সাহায্য করবে।
কি, সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসেবে শুধু ফেসবুক ব্যবহার করছেন? গুগল প্লাসকে পাত্তাই দিতে চান না আপনি। একটা বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে আপনাকে, ধরুন কেউ আপনার সম্পর্কে অনুসন্ধানের করার কথা ভাবছে, সেক্ষেত্রে গুগল সার্চ ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি, তাই না? এখন আপনার যদি গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে গুগল কিন্তু আপনাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবে (প্রতিষ্ঠানটি এর জন্য ব্যবহার করছে তাদের নতুন “সার্চ প্লাস ইউর ওয়ার্ল্ড” অ্যালগোরিদম)। আপনি হন্যে হয়ে চাকুরী খুঁজে বেড়াচ্ছেন আর গুগলকে ব্যবহার করছেন না তাহলে কিন্তু গোড়াতেই গলদের মত ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে, তাই না?
৫. ফেসবুক এর ব্যাপারে সাবধান থাকুন:
সবার এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিন্তু নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান কাজ করে তারা এর বিষয়ে একটু উষ্মাই প্রকাশ করেছে। তাদের কথা, প্রতিভা খুঁজতে কেউ ফেসবুক এ যায় না। বরং, এই সাইটটিকে গুরুত্ব দেয়া হয় তখনি, যখন চাকুরী প্রার্থীর পাবলিক প্রোফাইল পিকচার অথবা পাবলিক পোস্টগুলোতে অন্যকে ছোট করে দেখার প্রবণতা অথবা তাকে দুর্বল ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে কিনা তার উপর।
এখানে ছোট্ট একটা ভিডিও দেয়া হল:
৬. ছবি সম্পর্কে সতর্ক হন:
অনলাইনে আপনার যত ছবি রয়েছে সেগুলো আপনাকে যেন প্রফেশনাল হিসেবে প্রকাশ করে। “প্রত্যেকটি” ছবি। আপনি যদি আসলেই চাকুরী খোঁজার ব্যাপারে আগ্রহী হন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে বাচ্চার ছবি বা ফুটবল খেলছেন এ ধরণের ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে মাইকেল সুপিন। আর দয়া করে প্রোফাইলের ছবি হিসেবে আভটার অথবা ব্যঙ্গচিত্র দেয়া বন্ধ করুন! আপনাকে বুঝতে হবে যে এই ধরণের চিত্র অন্যের মনে আপনি কিছু লুকাতে চাইছেন এই মনোভাব উদ্রেক করবে।
৭. প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করুন:
নিয়োগ সংস্থা ম্যাককিনলি গ্রুপের আইটি প্র্যাকটিস ডাইরেক্টর অ্যাডাম হফারবার লিঙ্কডইন এর তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে থাকেন। জানার আগ্রহে, ভবিষ্যতে কি ধরণের পদ তাদেরকে আগ্রহী করবে। তিনি বলেন সম্পূর্ণ প্রোফাইল এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ থাকায় এদের সাথে যোগাযোগ রাখা তার কাছ জরুরি বলে মনে হয়।
মনে রাখবেন, বর্তমান সময়ে একটা প্রতিষ্ঠানের সাথে তিন থেকে চার বছর থাকা মানেই কিন্তু অনেক সময় অতিবাহিত করা। আজীবন একটা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার যে পুরানো ধারণা এখন অচল। বর্তমানে যে প্রতিষ্ঠানে আপনি চাকুরী করছেন তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো প্রতিষ্ঠান বলে মনে হলেও এর চাইতে আরও ভালো কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে কিনা তা কিন্তু আপনি খুঁজে দেখছেন না। আপনি থাকেন ধানমন্ডিতে চাকুরী করেন উত্তরাতে, এমনোতো হতে পারে আপনার বাসার পাশে এমন একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যে আরও ভালো বেতন দেয়, অফিসের সময় সূচী আরও ভালো অথবা নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা রয়েছে।
৮. নিজের ডোমেইন সংগ্রহ করুন:
চাকুরী সম্পর্কে জানার জন্য এবং তার কোন ওয়েব সাইট রয়েছে কিনা সেটা জানার লক্ষ্যে প্রথম যে কাজটি চাকুরী দাতারা করে থাকে, সেটি হচ্ছে গুগলে অনুসন্ধান করা। আর তা যদি থেকে থাকে তাহলে আপনার নাম্বারটা কিন্তু আপনা থেকেই বেরে যাবে। যদিও বিষয়টা একটু খরচ সাপেক্ষিক ব্যাপার কিন্তু তার পরেও এই সাইট দিয়ে প্রমাণিত হবে যে আপনি প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। ওয়েব সাইটটি আপনার দৃশ্যমান একটি জীবন বৃত্তান্ত হতে পারে। যেখানে আপনার প্রফেশনাল ছবি থাকবে। একটা ব্যাপার আমি এখানে বলতে চাই, বাংলাদেশে জীবন বৃত্তান্তের সাথে সাধারণত ছবি, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ, ধর্ম এবং লিঙ্গ অনেকেই লিখে থাকেন। আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সময় এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যাবেন। মনে রাখবেন তারা আপনার অভিজ্ঞতা দেখে চাকুরী দিবে, আপনার বাবা-মা’র নাম বা কোন ধর্মাবলম্বী সেটা জরুরী নয়। এই পরামর্শটুকু শুধু বিদেশের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন কারণ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো ব্যাপারটা শিখে উঠতে পারেনি।
ডোমেইন নেবার সময় যদি দেখেন আপনার নাম ইতোমধ্যে অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে তাহলে একটু সৃষ্টিশীল হতে পারেন, নামের মাঝে হাইফেন বা বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য লিখতে পারেন। বর্তমানে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন খরচ বছরে ৭০০-৮০০ টাকার মত।
৯. আজে-বাজে বিষয়গুলো মুছে ফেলুন:
সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে থাকা সকল বাজে মন্তব্য অথবা ছবি সরিয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন টাইমলাইনের কারণে অনেক পুরানো ভুলে যাওয়া তথ্যও কিন্তু খুব সহজে সামনে চলে আসে।
লিঙ্কডইন এর প্রোফাইলের চাকুরীর ইতিহাসে কোন খালি স্থান থাকলে তার সঠিক ব্যাখ্যা দেবার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
১০. মন্তব্য করার সময় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিন:
অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিটি মন্তব্য আপনার সম্পর্কে ইতিবাচক বা নেতিবাচক ছাপ ফেলতে সক্ষম। যে বিষয়ে আপনার পরিষ্কার ধারণা আছে শুধু সেক্ষেত্রে মন্তব্য প্রকাশ করুন। “বক্তব্য পছন্দ হয় নি তাই গালি দিব” - এ ধরণের মনোভাব পরিত্যাগ করুন। গঠন মূলক সমালোচনা করুন। মনে রাখবেন বাজে কোন মন্তব্য করলে সেটা আপনার সম্পর্কেই খারাপ ধারণা সৃষ্টি করবে, যাকে উদ্দেশ্য করে বললেন তার কিন্তু কিছু যাবে আসবে না।
১১. ব্লগ, ব্লগ এবং ব্লগ:

জ্ঞান ছড়ানোর জন্য ব্লগ অত্যন্ত ভালো একটা মাধ্যম। কিন্তু... লিখতে যদি না জানেন, বানান সম্পর্কে জ্ঞান যদি না থাকে, তাহলে এ থেকে দূরে থাকাই সমীচীন। কিন্তু লেখা যদি আসে, তাহলে কিন্তু চুপ থাকবেন না।
ভালো কিছু লিখুন, চিন্তা ভাবনা করে লিখুন, এবং যতটা পারুন লিখুন। যত লিখবেন, লেখার মান তত ভালো হবে। একদিনে কেউ জাফর ইকবাল বা হুমায়ূন আহমেদ হয় না। ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার বা টাম্বলার এর মত জনপ্রিয় ব্লগিং অবকাঠামো ব্যবহার করুন। ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস এবং লিঙ্কডইন এ শেয়ার করুন।
১২. লিঙ্কড ইন অথবা বিডিজবস এর সুযোগকে পূর্ণভাবে ব্যবহার করুন:
সারা বিশ্বে লিঙ্কডইন এর সদস্য সংখ্যা ১৫০ মিলিয়নের বেশি। আন্তর্জাতিক সকল প্রতিষ্ঠান এই সাইটটি ব্যবহার করে থাকে। আর তাই আপনার পেশাকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ব্যাপারে আপনি যদি আসলেই আন্তরিক হন তাহলে এই সাইটটি না ব্যবহার না করার কোন যুক্তি আপনি দেখাতে পারবেন না।

লিঙ্কডইন এ ১ মিলিয়নেরও বেশি গ্রুপ রয়েছে, এগুলোর সদস্য হতে পারেন। এতে আপনার নেটওয়ার্ক অনেক বেড়ে যাবে, এবং এখানে চিন্তাযুক্ত মন্তব্য প্রকাশ করা ছাড়াও অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন।
সাইটটির লিঙ্কডইন স্কিল এবং স্লাইডশেয়ার প্রেজেন্টেশন সুবিধাগুলোও গ্রহণ করুন।
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বিডিজবস অত্যন্ত ভালো একটা সাইট। এ সাইটে কর্পোরেট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৫০০ এরও বেশি, রয়েছে ৪.৫০ লক্ষের বেশি জীবন বৃত্তান্ত। আর তাই এই সাইটটি ব্যবহারের করুন এবং প্রদত্ত সকল সুবিধা গ্রহণ করে নিজের পেশাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করুন।
পুরো রচনায় একটা কথা আমি বার বার বলছি আর তা হচ্ছে, নিজেকে প্রফেশনাল মনের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলন। সমালোচনা করতে হলে গঠন মূলক সমালোচনা করুন। দ্বিমত থাকবেই, তাই বলে জোর দেখান ঠিক নয়। ঠিক নয় অজানা কোন বিষয় সম্পর্কে মন্তব্য করাও যা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আপনার অনলাইন পরিচয় দেখে নিয়োগ কর্তার যেন বলে উঠে – হ্যাঁ, একেই তো আমি খুঁজছিলাম।
দীর্ঘ এই প্রবন্ধের শেষাংশে এসে আমি ছোট্ট আরেকটি টিপস দিই, আপনার ইমেইল সিগনেচারে সামাজিক মাধ্যম সাইটের ঠিকানা, সাইট অথবা ব্লগের ঠিকানা লিঙ্ক হিসেবে সেট করুন। যেন, আপনার সম্পর্কে তাদের মধ্যে একটি স্পষ্ট এবং ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়।
- ইকবাল আহসান's blog
- Login or register to post comments













